— প্রতীকী চিত্র।
ত্রিপুরার এক বাঙালি তরুণীকে কলকাতার এক চলন্ত বাসে ‘বাংলাদেশি’ বলে হেনস্থা করার অভিযোগ উঠল। ঘটনার একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে সমাজমাধ্যমে। বর্তমানে দুই রাজ্যেই বিজেপি সরকার। তাই ত্রিপুরা সরকার এ নিয়ে মুখ না খুললেও কিছুটা অস্বস্তিতে পড়েছে বলে মনে করছেন রাজনীতিকেরা।
আজ সমাজমাধ্যমে পোস্ট করা একটি ভিডিয়োয় ত্রিপুরার এক তরুণী দাবি করেন, কলকাতায় বাসে তাঁকে ‘বাংলাদেশি’ বলে কটাক্ষ করা হয়েছে। যদিও ওই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার পত্রিকা। ওই তরুণীর দাবি, তিনি কর্মসূত্রে দীর্ঘদিন ধরে কলকাতায় বাস করছেন। এ দিনও একটি তিনি একটি বাসে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি ত্রিপুরায় প্রচলিত বাংলায় কথা বলছিলেন। তাঁর অভিযোগ, তখন তাঁর কথাবার্তা শুনে বাসে উপস্থিত কয়েক জন যাত্রী তাঁকে ‘বাংলাদেশি’ বলে কটাক্ষ করতে শুরু করেন। ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, তরুণী এর প্রতিবাদও করেন।
ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, তরুণী নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে বলেন তিনি ভারতের নাগরিক এবং গত চার-পাঁচ বছর ধরে কলকাতায় কর্মসূত্রে রয়েছেন। তাঁর প্রশ্ন, শুধুমাত্র আঞ্চলিক টান বা ভিন্ন উচ্চারণে বাংলা বলার কারণেই কি কাউকে ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দেওয়া যায়? ত্রিপুরার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশিস কুমার সাহা বলেন, “উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বাসিন্দাদের প্রতি এই ধরনের বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ নতুন নয়। অতীতেও একাধিক বার বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিতে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মানুষকে ভাষা, চেহারা কিংবা সাংস্কৃতিক পরিচয়ের কারণে হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে। এত দিন পশ্চিমবঙ্গে ছিল না। এখন ওই রাজ্যেও বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে, ফলে সেখানেও এই ধরনের ঘটনার মুখে পড়তে হবে।”
গত ডিসেম্বরে দেহরাদূনে ত্রিপুরার জনজাতি যুবক অ্যাঞ্জেল চাকমাকে ভাষা, চেহারা ও সাংস্কৃতিক বিদ্বেষের ফলেপ্রাণ হারিয়েছিলেন।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে