খোলা তারে হাত লেগে মৃত্যু শিশুর

ভবানীপুরে তড়িদাহত হয়ে এক কিশোরের মৃত্যুর ঘটনার রেশ এখনও মেটেনি। ফের বৃহস্পতিবার তিলজলার মসজিদবাড়ি লেনে তড়িদাহত হয়ে মৃত্যু হয় এক শিশুর। নাম সুহানা খাতুন (৫)।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ অগস্ট ২০১৬ ০০:০০
Share:

স্কুলের সামনেই এ ভাবে খোলা পড়ে জয়েন্ট বক্স। ছবি: স্নেহাশিস ভট্টাচার্য।

ভবানীপুরে তড়িদাহত হয়ে এক কিশোরের মৃত্যুর ঘটনার রেশ এখনও মেটেনি। ফের বৃহস্পতিবার তিলজলার মসজিদবাড়ি লেনে তড়িদাহত হয়ে মৃত্যু হয় এক শিশুর। নাম সুহানা খাতুন (৫)।

Advertisement

পুলিশ জানায়, এ দিন সকাল সাড়ে ছ’টা নাগাদ নিজের বাড়ির চত্বরেই খোলা বিদ্যুতের তারের সঙ্গে সংস্পর্শে তড়িদাহত হয়েছে সুহানা। তাকে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। তবে এই ঘটনায় বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। তবে সে প্রসঙ্গে স্থানীয় পুরপ্রশাসনের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

তবে শুধু কলকাতাতেই নয়, বিদ্যুতের খোলা তার নিয়ে প্রশাসনের উদাসীনতার ছবি ধরা পড়েছে সল্টলেকেও।

Advertisement

উপনগরীর সিএ ব্লকের একটি স্কুলের উল্টোদিকেই তৈরি হয়ে রয়েছে মৃত্যুফাঁদ। উল্টোদিকের একটি ল্যাম্পপোস্টে বিদ্যুৎ সরবরাহের সুইচ বক্সের ঢাকনা উধাও। যে কোনও সময়ে বড়সড় দুর্ঘটনা এমনকী বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণহাণির ঘটনাও ঘটে যেতে পারে।

স্কুলের কাছে এ ভাবে একটি ল্যাম্পপোস্টে ইলেকট্রিক বক্স খুলে থাকলেও নজর পড়েনি পুরসভার। মেয়র পারিষদ (আলো) সুধীর সাহা বলেন, ‘‘খোঁজ নিয়ে দ্রুত যথাযথ পদক্ষেপ করা হবে।’’

স্থানীয় ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা মেয়র পারিষদ (শিক্ষা) রাজেশ চিরিমার বলেন, ‘‘দ্রুত পদক্ষেপ করা হচ্ছে।’’ স্কুলের এক অভিভাবকের বক্তব্য, এ ভাবে ল্যাম্পপোস্টে ইলেকট্রিক বক্স খোলা থাকবে কেন, তা হলে পুরসভার নজরদারি কোথায়? পুর প্রশাসনের আলো বিভাগের কর্মীরা কোথায় থাকেন তা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন?

যদিও সংশ্লিষ্ট দফতরের মেয়র পারিষদের দাবি, নিয়মিত নজরদারি থাকে।

চলতি সপ্তাহে সোমবার ভবানীপুরের রমেশ মিত্র রোডে জল মগ্ন রাস্তায় তড়িদাহত হয়েছিল যশ বেঙ্গানী নামে এক কিশোরের। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ ছিল, শহরের ফুটপাথে ত্রিফলা বাতিস্তম্ভে বাহারি আলোর তার খোলা থাকে। তাতেই হাত চলে গিয়েছিল ওই কিশোরের। যদিও কলকাতা পুরসভা অভিযোগ মানেনি। তবে তার পরেই দেখা গিয়েছিল সেলোটেপ দিয়ে ত্রিফলা স্তম্ভের ঢাকনা আটকে দেওয়া হয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement