AI in School Education

কৃত্রিম মেধার ব্যবহার কোথায় ভাল, কোথায় মন্দ! স্কুল স্তরেই শিখিয়ে দিতে চাইছে কেন্দ্র

কৃত্রিম মেধা তৈরি করছে ছবি, গল্প, কবিতা। আর তা নিয়ে আলোচনাও চলেছে মানুষের মধ্যে। কোনটা ঠিক কোনটা ভুল— বাড়তে থাকা সমস্যার সমাধান খুঁজতে তৎপর কেন্দ্র।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:২১
Share:

ছবি: এআই।

কৃত্রিম মেধার তৈরি করা ছবি বা ভিডিয়োর সঙ্গে বাস্তবের মিল কতটা— তার হদিশ মিলছে না অনেক ক্ষেত্রেই। সাইবার অপরাধের ধরনও বদলেছে ওই প্রযুক্তির দৌলতে। এ দিকে স্কুল স্তরে তৃতীয় শ্রেণি থেকেই ‘এআই’ নিয়ে পঠনপাঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেকেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই) অধীনস্থ স্কুলগুলিতে কৃত্রিম মেধার খুঁটিনাটি শেখানো হবে।

Advertisement

এর পর ধাপে ধাপে অন্য সরকারি স্কুলগুলির প্রাথমিক স্তরেও কৃত্রিম মেধা নিয়ে পঠনপাঠন শুরু হবে। ওই প্রযুক্তি ব্যবহারের কৌশল এবং তা প্রয়োগের ঠিক বা ভুলের ফারাক সম্পর্কে পড়ুয়াদের শেখানো হবে। সহজ ভাবে এই বিষয়টি যাতে স্কুল স্তরের পড়ুয়াদেরও বোধগম্য হয়ে ওঠে, সে জন্য বিশেষ ভাবে পাঠ্যক্রমে তৈরি করছে ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর এডুকেশন রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (এনসিইআরটি)।

সাইবার অপরাধ রুখতে এবং প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে ছোট থেকে ওয়াকিবহাল থাকতেই ‘এথিক্যাল এআই এডুকেশন’ চালু করতে তৎপর কেন্দ্র। কেন্দ্রের স্কুল শিক্ষা সচিব সঞ্জয় কুমার জানিয়েছেন, কৃত্রিম মেধার ভাল-মন্দের পাঠ এবং ওই প্রযুক্তি ব্যবহারের কৌশল নিয়ে পঠনপাঠনের জন্য শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৯ থেকে ১০,০০০-এর বেশি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের এই বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

নিজস্ব চিত্র।

কৃত্রিম মেধাকে ব্যবহার এবং তার ভাল মন্দের পাঠ দিতে পরীক্ষামূলক ভাবে প্রথমে সিবিএসই স্কুলগুলিতে পঠনপাঠন শুরু হয়। বোর্ড অধীনস্থ স্কুলে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যক্রমে এই বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। বর্তমানে ১৮,০০০-এর বেশি সিবিএসই স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ‘এআই’ স্কিল বেসড সাবজেক্ট হিসাবে পড়ানো হয়ে থাকে। একই সঙ্গে ২০২৩ থেকে রাজ্যে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদও ওই বিষয়টিকে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ানো হয়।

চাকরির ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিকতা—

কৃত্রিম মেধা এবং চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে নীতি আয়োগের সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, কৃত্রিম মেধার সংযোজন হওয়ায় তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রের চাকরির সুযোগ পাওয়া আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। নীতি আয়োগের সিইও বিভিআর সুব্রহ্মণ্যম জানিয়েছেন, এআই সম্পর্কে আপস্কিলিং করতে পারলে চাকরির ক্ষেত্রে ভারতীয় চাকুরিজীবীদের পিছিয়ে পড়ার সম্ভাবনা প্রবল। ওই প্রযুক্তিতে পড়ুয়াদের সঠিক ভাবে প্রশিক্ষণ দিতে পারলে চাকরির সুযোগ স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকে শুরু করে লজিস্টিক্স পর্যন্ত, সব ক্ষেত্রেই পাওয়া যাবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement