Left Protest in Jadavpur Station

যাদবপুর স্টেশনের বাইরে বুলডোজ়ার! উচ্ছেদ আটকাতে জমায়েত বামেদের, সৃজন বললেন, ‘রাত জেগে থাকছি’

যাদবপুর রেলস্টেশনের বাইরে একটি বুলডোজ়ার দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। বাম নেতা-কর্মীদের আশঙ্কা, রাতে উচ্ছেদ করা হতে পারে হকার।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ জুন ২০২৬ ২৩:০৮
Share:

যাদবপুর স্টেশনে বামেদের মিছিল। — নিজস্ব চিত্র।

হকার উচ্ছেদের আশঙ্কায় যাদবপুর স্টেশনে প্রতিবাদে শামিল বাম নেতা ও কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, স্টেশনের বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছে বুলডোজ়ার। যে কোনও সময়ে ভেঙে ফেলা হতে পারে দোকান। তা রুখতে রাত জাগবেন বাম কর্মীরা। সিপিএম নেতা সৃজন ভট্টাচার্য জানান, রেলের সঙ্গে কথা হচ্ছে। সারা রাত সেখানেই থাকবেন। সূত্রের খবর, যাদবপুর রেলস্টেশন সংলগ্ন ২১২ বাস স্ট্যান্ডে রয়েছে পুলিশ, জিআরপি, আরপিএফ।

Advertisement

যাদবপুর রেলস্টেশনের বাইরে একটি বুলডোজ়ার দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। বাম নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, রাতে উচ্ছেদ করা হতে পারে হকার। ইতিমধ্যে এলাকায় মোতায়েন রয়েছে পুলিশ বাহিনী। বামেদের দাবি, পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদ করা যাবে না। সৃজন বলেন, ‘‘আমরা রয়েছি। পুলিশ এসেছে। রেলের সঙ্গেও কথা হচ্ছে। দেখি কী হয়! সারা রাত রয়েছি।’’

পুলিশের সঙ্গে কথা বলছেন সৃজন ভট্টাচার্য। — নিজস্ব চিত্র।

এর আগে হাওড়া, শিয়ালদহ স্টেশন চত্বরে বেআইনি হকার ‘উচ্ছেদ’ শুরু করেছে রেল। কখনও আবার বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে বুলডোজ়ারও নামানো হয়। সূত্রের খবর, শিয়ালদহ, হাওড়া স্টেশন চত্বরে প্রায় ৫০০টি অস্থায়ী ঝুপড়ি এবং ছোট দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। শুধু স্টেশন চত্বরে নয়, হাওড়ার বিভিন্ন এলাকায় বহুতলের বেআইনি নির্মাণ ভাঙতেও বুলডোজ়ার চালানো হয়। রাতারাতি রেলের এই উচ্ছেদ অভিযানে বিপাকে পড়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। কারও দাবি, সকালে এসে দেখেন তাঁর দোকান আর নেই। আবার কেউ কেউ জানান, উচ্ছেদের খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছোন। প্রায় সকলের মুখে একটাই অভিযোগ ছিল, রেল আচমকা উচ্ছেদ অভিযান চালায়।

Advertisement

বেআইনি উচ্ছেদ নিয়ে অনেক দিন ধরেই তৎপর রেল। তবে অভিযোগ, আগের সরকারের অসহযোগিতার কারণে এত দিন এই উচ্ছেদ প্রক্রিয়ায় গতি আনা যাচ্ছিল না। উচ্ছেদ করতে গেলে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আর তা সামলানোর দায়িত্ব পুলিশের। তৃণমূল সরকার সে ব্যাপারে সহযোগিতা না-করায় বেআইনি দখল হটানো সম্ভব হয়নি।

অন্য দিকে, হাওড়া ময়দান সংলগ্ন এলাকার রাস্তা এবং ফুটপাতে আর পসরা নিয়ে বসতে পারবেন না মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীরা। মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের হাওড়া থানায় ডেকে জানিয়ে দেন হাওড়া সিটি পুলিশের কর্তারা। এ-ও জানান রাজ্য সরকারের তরফে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement