প্রতীকী ছবি।
হোমের মাঠে অন্য আবাসিকদের সঙ্গে বল নিয়ে খেলছিল বছর দশেকের বালকটি। অভিযোগ, সেই সময়ে সাফাইকর্মী তপন হাজরা জঞ্জাল পরিষ্কার করে গাড়িতে চাপিয়ে তা বাইরে নিয়ে যাচ্ছিলেন। কোনও ভাবে খেলার বলটি তাঁর গায়ে লাগে। অভিযোগ, এর পরেই বছর দশেকের ওই বালককে মারধর করেন ওই সাফাইকর্মী। অভিযোগ, মারধরের চোটে ওই বালক অচৈতন্য হয়ে পড়ে। মুচিপাড়া থানার পুলিশ ওই সাফাইকর্মীকে গ্রেফতার করেছে।
হোম সূত্রের খবর, গত বুধবার দুপুরে ওই ঘটনা ঘটে। হোমের ভিতরেই স্কুল রয়েছে। আহত পড়ুয়া ওই স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। সে দিন পরীক্ষা শেষে ওই বালক অন্য আবাসিকদের সঙ্গে মাঠে খেলছিল। সাফাইকর্মীর মার খেয়ে দুর্বল চেহারার বালকটি সেখানেই অচৈতন্য হয়ে পড়ে। অভিযোগ, শুধু ওই বালকই নয়। তপন আরও দুই বালককে মারধর করে বলে অভিযোগ। অচৈতন্য ছেলেটিকে হোম কর্তৃপক্ষ প্রথমে নিজেদের মেডিক্যাল ইউনিটের চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। পরে তাকে নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালেও নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে বালকটিকে ছাড়া হয়।
পুলিশ জানায়, মারধর করার পরেই অভিযুক্ত সাফাইকর্মী গা ঢাকা দিয়েছিল। পরে অভিযোগ পেয়ে তাকে গ্রেফতার করে। হোমের সম্পাদক বিশ্বরূপ দে ঘটনাটি স্বীকার করে বলেন, ‘‘বাচ্চাগুলিকে কেন মারধর করল জানি না। আমরা ওই সাফাইকর্মীকে আর কাজে রাখব না।’’ বিশ্বরূপবাবু আরও জানান, কর্মীদের বোঝা উচিত যে এ ভাবে মারধর করা ঠিক নয়। এ দিকে বাচ্চাটির বুকে ব্যথা না কমায় আজ, শনিবার তাকে ফের চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা হোম কর্তৃপক্ষের।