মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
ভয়াবহ সেই বিপর্যয়ের পরে দিন দশেক পেরোতে চললেও এখনও পুরোপুরি সরানো হয়নি তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদামের ভেঙে পড়া অংশ। ফলে, এখনও নিশ্চিত ভাবে পুলিশ-প্রশাসন জানাতে পারল না, ওই গুদামের ভাঙা অংশের নীচে আরও কোনও ব্যক্তির মৃতদেহ আটকে আছে কি না! প্রসঙ্গত, গার্ডেনরিচে নির্মীয়মাণ বহুতল বাড়ি ভেঙে পড়ার বেশ কয়েক দিন বাদে সেই ভাঙা অংশ সরাতে গিয়ে নীচ থেকে উদ্ধার হয়েছিল তখনও চাপা পড়ে থাকা মৃতদেহ।
যদিও তারাতলার ঘটনার ক্ষেত্রে কলকাতা পুলিশের দাবি, ওই অংশ থেকে আর কোনও রকম দুর্গন্ধ বেরোচ্ছে না। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও কোনও মৃতদেহ আটকে থাকলে দুর্গন্ধ পাওয়া যেত বলেই ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞেরা পুলিশকে জানিয়েছেন। এর মধ্যেই পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ, শনিবার বেলা ১২টায় আলিপুর বডিগার্ড লাইন্সে তারাতলা-কাণ্ডে উদ্ধারকাজ করা পুলিশ এবং পুরসভার কর্মীদের সংবর্ধনা দেবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে কাজ করার জন্যই এই সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রের খবর।
তারাতলার যেখানে ওই নির্মীয়মাণ গুদাম ভেঙে পড়েছিল, সেই জায়গাটি পুলিশ ঘিরে রেখেছে। বাইরে থানা এবং লালবাজার থেকে প্রহরা বসানো হয়েছে। গত কয়েক দিনে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি সেখানে গিয়েছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ দলের সদস্যেরা। তাঁরা ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করেছেন। কোন ধরনের সামগ্রী দিয়ে ওই নির্মাণকাজ চলছিল, তা জানতে লোহার কাঠামো কেটে নিয়ে গিয়েছেন ওই বিশেষজ্ঞ দলের প্রতিনিধিরা। কী ধরনের নাট-বল্টু ও সিমেন্ট-বালি ব্যবহার করা হয়েছে, তা-ও পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশের দাবি। পুরসভা যে নির্মাণ নকশা পুলিশকে দিয়েছে, নির্মাণের সময়ে সেই নকশা মানা হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত করে জানাতে বলা হয়েছে যাদবপুরের বিশেষজ্ঞদের। এর পরেই এ সম্পর্কে চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রকাশ করা হতে পারে বলে পুলিশ সূত্রের দাবি।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে