ED Raids in Kolkata

সোনা পাপ্পুর মামলায় ফের সক্রিয় ইডি, আনন্দপুর, আলিপুরে ব্যবসায়ীদের বাড়িতে তল্লাশি

সোনা পাপ্পু ঘনিষ্ঠ জয় কামদারকে কিছু দিন আগে গ্রেফতার করেছে ইডি। তাঁর সূত্রেই আরও একাধিক নাম উঠে এসেছে বলে খবর। ইডি রবিবার সকাল থেকে কলকাতার তিন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:২১
Share:

কলকাতায় ব্যবসায়ীদের বাড়িতে ইডি-র তল্লাশি অভিযান। —ফাইল চিত্র।

ভোটের মধ্যে ফের সক্রিয় ইডি। রবিবার সকালে খাস কলকাতার একাধিক জায়গায় তাদের অভিযান চলছে। আনন্দপুর এবং আলিপুরে দুই ব্যবসায়ীর বাড়ি-সহ মোট তিনটি জায়গায় ইডি তল্লাশি চালাচ্ছে। সূত্রের খবর, সোনা পাপ্পুর মামলাতেই এই তল্লাশি। ইতিমধ্যে সোনার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী জয় কামদারকে ইডি গ্রেফতার করেছে। আপাতত তিনি কেন্দ্রীয় সংস্থার হেফাজতে রয়েছেন। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই ব্যবসায়ীদের খোঁজ মিলেছে বলে খবর।

Advertisement

বালিগঞ্জে গোলমালের ঘটনায় সোনা পাপ্পুর নাম জড়িয়েছিল। কিন্তু তিনি এখনও অধরা। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পিস্তল এবং নগদ অর্থ উদ্ধার করেছিল ইডি। সেই সূত্রে জয়ের বাড়িতেও তল্লাশি হয় এবং কিছু দিন আগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযোগ, জয়ের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনে জড়িত কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিংহ বিশ্বাসও। তাঁর বাড়িতে ইডি দীর্ঘ তল্লাশি চালিয়েছে। জয়ের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল আগেই। সেখান থেকে একাধিক নাম ইডির নজরে। কোথায় কার সঙ্গে আর্থিক লেনদেন হয়েছিল, তা আর্থিক তছরুপ কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

রবিবার সকাল সকাল সিজিও কমপ্লেক্স থেকে ইডির একাধিক দল বেরিয়ে পড়ে। সঙ্গে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীও। আনন্দপুরের একটি পরিচিত আবাসনে ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চলছে। আলিপুরেও গিয়েছে একটি দল। জয়ের সঙ্গে ব্যবসায় বিনিয়োগ সংক্রান্ত কোনও যোগ এঁদের রয়েছে কি না, তা-ই খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।

Advertisement

রাজ্যের ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হয়ে গিয়েছে। দ্বিতীয় দফায় বাকি ১৪২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে ২৯ এপ্রিল। তার আগে জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলি। রবিবার ফের রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। উত্তর কলকাতায় রোড শো করবেন তিনি। এর মধ্যেই শহরে ইডি-র তৎপরতা। ভোটের মুখে কেন্দ্রীয় সংস্থার এই অতি সক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল। অভিযোগ, নিরপেক্ষ সংস্থাগুলিকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি। তৃণমূলের একাধিক নেতা-মন্ত্রীকেও বিভিন্ন মামলায় সিজিও কমপ্লেক্সে ডাকা হয়েছে। কেউ হাজিরা দিয়েছেন, কেউ এড়িয়ে গিয়েছেন। বিরোধী দল বিজেপির বক্তব্য, কেন্দ্রীয় সংস্থা তাদের স্বাধীনতা অনুযায়ী কাজ করছে। এর সঙ্গে রাজনীতিক সংযোগ নেই।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement