কলকাতায় এলেন দেশের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমার। বিমানবন্দরে তাঁকে অভ্যর্থনা জানালেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল এবং মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী। —নিজস্ব চিত্র।
রাতেই নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ চলে এল রাজ্যে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-সহ ১২ জন এসেছেন। সোমবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের। তৃণমূলের প্রতিনিধিদলে থাকবেন রাজীব কুমার।
রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি এবং বর্তমানে তৃণমূলের রাজ্যসভার প্রার্থী রাজীব এই প্রথম রাজ্যের শাসকদলের হয়ে কোনও বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করবেন। তৃণমূলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্নামঞ্চে হাজির ছিলেন প্রাক্তন আইপিএস অফিসার। তৃণমূল সূত্রে খবর, ওই প্রতিনিধিদলে থাকবেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।
এসআইআর ইস্যুতে রাজ্যের শাসকদলের ধর্না রবিবার তৃতীয় দিনে পড়েছে। রবিবারই রাতে কলকাতায় পৌঁছেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক জোশী। তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন দু’জন ডেপুটি কমিশনার— মণীশ গর্গ এবং পবনকুমার শর্মা। জ্ঞানেশদের স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক।
তা ছাড়া দুপুরেই কলকাতায় পৌঁছে গিয়েছেন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী। কমিশনের ডিরেক্টর জেনারেল আশিস গোয়েল, ডেপুটি ডিরেক্টর পি পবন, অপূর্ব কুমার সিংহ এবং ভিডিয়ো এডিটর রঞ্জিতকুমার শ্রীবাস্তব আসছেন রাজ্যে।
আশিস গোয়েল, ডেপুটি ডিরেক্টর পি পবন, অপূর্ব কুমার সিংহ এবং ভিডিয়ো এডিটর রঞ্জিতকুমার শ্রীবাস্তব আসছেন রাজ্যে। রাতে জ্ঞানেশ কুমারদের কনভয় ভিআইপি রোড দিয়ে যাওয়ার সময় সেখানে বিক্ষোভ দেখান সিপিএমের নেতা-কর্মীরা। তোলা হয় ‘গো ব্যাক’ স্লোগান।
কমিশন সূত্রে খবর, সকাল ১০টা থেকে রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠক করবেন জ্ঞানেশ। সে জন্য রাজ্য ও কেন্দ্রের আটটি স্বীকৃত রাজনৈতিক দলকে ডাকা হয়েছে। প্রত্যেকটি দলের সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক হবে এবং প্রতিটি রাজনৈতিক দলের জন্য ১৫ মিনিট করে সময় বরাদ্দ করা হয়েছে।
তার পর সোমবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে ভোটপ্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক করবে কমিশন। সেখানে কেন্দ্র ও রাজ্যের ২৪টি সংস্থার (এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি) প্রতিনিধি থাকবেন। বৈঠকে ডাকা হয়েছে আইজি, ডিআইজি, পুলিশ কমিশনারেট এবং পুলিশ সুপার এবং জেলাশাসকদের।
অন্য দিকে, রাজ্যের প্রায় ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের মধ্যে এখনও পর্যন্ত নিষ্পত্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে আট লক্ষের কাছাকাছি।