কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিলেন আইএএস অফিসার। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দিলেন রাজ্যের আইএএস অফিসার আনসারি শেখ। তিনি মালদহের অতিরিক্ত জেলাশাসক পদে রয়েছেন। বালি পাচার মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে তলব করা হয়েছিল। জানা গিয়েছে, বেশ কিছু নথি তাঁর কাছে দেখতে চেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় আধিকারিকেরা। তিনি নথিপত্র নিয়ে বুধবার সকালে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছোন। এখনও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
আইএএস আনসারি বর্তমানে মালদহে কর্মরত। তবে এর আগে ছিলেন ঝাড়গ্রামে। ইডি সূত্রে খবর, ঝাড়গ্রামে কাজের সময়ের কিছু তথ্য তাঁর কাছে চাওয়া হয়েছে।
ভোটের আগে রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) বিবেচনাধীন তালিকার নিষ্পত্তি নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল মালদহে। মোথাবাড়ি এলাকায় বিবেচনাধীন তালিকার নিষ্পত্তির কাজে নিযুক্ত বিচারকদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়। বিক্ষোভের জেরে রাতে দীর্ঘ ক্ষণ তাঁরা আটকে পড়েছিলেন। পরে পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে। এই ঘটনার তদন্ত করছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। একাধিক অভিযুক্তকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। সূত্রের খবর, মোথাবাড়ির ওই ঘটনার সময় মালদহের দায়িত্বে ছিলেন আইএএস আনসারি। এ বার বালি পাচার মামলায় ইডির ডাকে সাড়া দিয়ে কলকাতার দফতরে হাজিরা দিলেন তিনি।
গত ৪ মে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। রাজ্যে ক্ষমতার এই পালাবদলের পর বালি পাচার, গরু পাচার, কয়লা পাচার কিংবা নারী নির্যাতনের পুরনো বিভিন্ন মামলার ‘ফাইল’ নতুন করে খোলা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। সেই মতো একাধিক মামলায় রাজ্যের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সংস্থার তৎপরতাও চোখে পড়ছে। এই বালি পাচার মামলাতেই এর আগে তলব করা হয়েছিল কলকাতার পুলিশকর্তা শান্তনু সিংহ বিশ্বাসকে। পরে সোনা পাপ্পু সংক্রান্ত মামলায় শান্তনুকে গ্রেফতার করে ইডি। গ্রেফতার করা হয়েছে সোনা পাপ্পুকেও।