শিয়ালদহ স্টেশন। ফাইল চিত্র।
আগামী ২০-৩০ বছরের মধ্যে যাত্রী পরিবহণে চাহিদা বৃদ্ধির কথা ভেবে অতিরিক্ত ট্রেন চালানো হবে। আর সেই ব্যবস্থা করতে শিয়ালদহ ডিভিশনের গুরুত্বপূর্ণ রুটে পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর দেওয়া হচ্ছে। ট্রেন রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কোচিং টার্মিনালের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি, বিভিন্ন টার্মিনালে ট্রেন রাখার পরিকাঠামোবাড়াচ্ছে রেল। যাতে চাহিদার সময়ে অতিরিক্ত ট্রেন চালাতে সমস্যা না হয়। সে জন্য কাঠগোলা সাইডিংয়ে ৪, বেলঘরিয়া সাইডিংয়ে ৬, কল্যাণী সাইডিংয়ে ৪টি লাইন বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে রেল। এ ছাড়াও বনগাঁ, কৃষ্ণনগর সিটি, ক্যানিং, ডায়মন্ড হারবার স্টেশনে অতিরিক্ত ট্রেন রাখার পরিকাঠামো তৈরি করা হচ্ছে।
ব্যস্ত শাখায় যাত্রাপথের মাঝে ট্রেন থমকে থাকার সমস্যা দূর করতে কুলপি, লালগোলা, গেদে শাখায় নতুন লুপ লাইন তৈরি করছে। সম্প্রতি রানাঘাট-বনগাঁ শাখায় ডবল লাইন, রানাঘাট-কৃষ্ণনগর শাখায় তৃতীয় লাইন এবং কল্যাণী-রানাঘাট শাখায় তৃতীয় লাইন তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল।শিয়ালদহ ডিভিশনের রেলওয়ে ম্যানেজার রাজীব সাক্সেনা জানিয়েছেন, ওই সব প্রকল্পের কাজ জোরকদমে চলছে। পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার মিলিন্দ দেউস্করও দ্রুত ওই সব প্রকল্প রূপায়ণে জোর দিয়েছেন। এ ছাড়াও শিয়ালদহ ডিভিশনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনের পরিকাঠামো উন্নত করা ছাড়াও সেগুলিকে নতুন রূপে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে।
রেলের দাবি, পরিকাঠামো তৈরি হলে বিশেষ পরিস্থিতিতে ট্রেনের সংখ্যা বাড়াতে গিয়ে বিভিন্ন স্টেশনে প্ল্যাটফর্ম না পাওয়া নিয়ে ভাবতে হবে না। সারা দেশেই গুরুত্বপূর্ণ প্রান্তিক স্টেশন থেকে ট্রেনের সংখ্যা বাড়াতে পরিকাঠামো উন্নয়নের কথা সম্প্রতি রেলমন্ত্রী জানিয়েছিলেন। সেই মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলিতে দূরপাল্লার ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর পরিকাঠামো সম্প্রসারিত হচ্ছে।
কলকাতার ক্ষেত্রে মেট্রো প্রকল্পের সম্প্রসারণের পাশাপাশি, শহরতলির লোকাল ট্রেনের যাত্রী পরিবহণ ক্ষমতা বাড়িয়ে কী ভাবে সামঞ্জস্য তৈরি করা যায়, ভাবা হচ্ছে। শিয়ালদহ উত্তর এবং দক্ষিণ শাখায় এখন ১২ কোচের লোকাল ট্রেন চলে। শিয়ালদহ ডিভিশন মূলত শহরতলির ট্রেননির্ভর। ভবিষ্যতের চাহিদা সামাল দিতে এই ডিভিশনের সিগন্যালিং ব্যবস্থার সংস্কার করে বেশি সংখ্যক ট্রেন চালানো হবে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে