Death

ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু বৃদ্ধার

জিআরপি ও পরিবার সূত্রের খবর, বাড়িতে স্বামী দুলালচন্দ্র ঘোষের সঙ্গে থাকতেন মণিকাদেবী। দুলালবাবু অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক। তাঁদের দুই ছেলেমেয়ে রয়েছেন।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩০ ডিসেম্বর ২০২০ ০২:৩৯
Share:

প্রতীকী ছবি।

বাড়িতে জলখাবার খেয়ে বৃদ্ধা গিয়েছিলেন পুরসভায় স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড করাতে। স্বামীকে একা বাড়িতে রেখে গিয়েছিলেন বলে কাজ সেরে দ্রুত বাড়ি ফিরে আসতে চেয়েছিলেন। আর তাড়াহুড়ো করতে গিয়েই ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু হল ওই বৃদ্ধার। মঙ্গলবার দুপুরে বনগাঁ-শিয়ালদহ শাখায়, বারাসতের ১১ নম্বর রেলগেট এলাকার ঘটনা। জিআরপি জানিয়েছে, মৃতার নাম মণিকা ঘোষ (৭৩)। বাড়ি বারাসত নবপল্লির অমরাবতী এলাকায়। ময়না-তদন্তের জন্য দেহটি বারাসত জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে জিআরপি।

Advertisement

জিআরপি ও পরিবার সূত্রের খবর, বাড়িতে স্বামী দুলালচন্দ্র ঘোষের সঙ্গে থাকতেন মণিকাদেবী। দুলালবাবু অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক। তাঁদের দুই ছেলেমেয়ে রয়েছেন। ছেলে কর্মসূত্রে শিলিগুড়িতে থাকেন, মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। এ দিন সকাল ১০টা নাগাদ মণিকাদেবী বারাসত পুরসভায় গিয়েছিলেন স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড করতে। কাজ

শেষ করে হেঁটেই বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময়ে ট্রেন আসবে বলে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপরে ১১ নম্বর রেলগেটটি নামানো ছিল। কিন্তু দ্রুত বাড়ি ফিরতে তাড়াহুড়ো করছিলেন মণিকাদেবী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, অপেক্ষা না করে ওই বৃদ্ধা লেভেল ক্রসিংয়ের নীচ দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

Advertisement

তা দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজন চিৎকার করে তাঁকে থামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তত ক্ষণে বনগাঁগামী ট্রেনটি কাছাকাছি চলে এসেছিল। সেই ট্রেনের ধাক্কায় ছিটকে পড়েন ওই বৃদ্ধা। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন দুলালবাবু। বলেন, ‘‘মণিকা বলে গিয়েছিল দ্রুত বাড়ি ফিরবে। কথা রাখল না। সব শেষ হয়ে গেল।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement