TMC Office

চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেও ছাড়া হয়নি! মেট্রোপলিটনের ‘তৃণমূল ভবন’ খালি করাতে এ বার জিডি করতে যাচ্ছেন মালিক

বাড়ির মালিক মনোতোষের অভিযোগ, ২০২৫ সালে তৃণমূলের সঙ্গে বাড়ি নিয়ে চুক্তি শেষ হয়ে গিয়েছিল। এক বছর কেটে গেলেও বাড়ি ছাড়েনি তৃণমূল।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬ ১৮:০৮
Share:

মেট্রোপলিটনের তৃণমূল ভবন। — ফাইল চিত্র।

গত প্রায় পাঁচ বছর ধরে কলকাতার মেট্রোপলিটনের এক ভবনই ছিল তৃণমূলের অস্থায়ী কার্যালয়। এ বার সেই ‘তৃণমূল ভবন’ ফেরত দিতে বলে থানার দ্বারস্থ হতে চলেছেন মালিক মনোতোষ সাহা ওরফে মন্টু। সোমবার জিডি (জেনারেল ডায়েরি) করবেন তিনি। প্রসঙ্গত, এই মনোতোষের সংস্থা তৃণমূলের সমস্ত কর্মসূচিতে এত দিন মাইক-সহ ডেকরেটার্সের জিনিসপত্র সরবরাহের দায়িত্বে ছিল। তাঁর অভিযোগ, চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও বাড়ি ছাড়ছে না তৃণমূল।

Advertisement

বাইপাসের ধারে উত্তর পঞ্চান্ন গ্রামে ছিল তৃণমূলের সদর দফতর। সেটি ভেঙে নতুন করে তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সে জন্য ২০২১ সালে মেট্রোপলিটনে মনোতোষের বাড়িতে গড়ে ওঠে তৃণমূলের অস্থায়ী কার্যালয়। সেই বাড়ির মালিক মনোতোষের অভিযোগ, ২০২৫ সালে তৃণমূলের সঙ্গে বাড়ি নিয়ে চুক্তি শেষ হয়ে গিয়েছিল। এক বছর কেটে গেলেও বাড়ি ছাড়েনি তৃণমূল। মনোতোষের আরও দাবি, ভোটের ফল ঘোষণার পরে তিনি তৃণমূলকে বাড়ি ছাড়তে বলেছিলেন। কিন্তু তা নিয়ে তৃণমূলের তরফে কোনও উচ্চবাচ্য করা হয়নি বলেই অভিযোগ মনোতোষের।

প্রসঙ্গত, কলকাতা যত জায়গায় তৃণমূলের কর্মসূচি হত, সেখানে মাইক, মণ্ডপের জিনিসপত্র, চেয়ার, টেবিল সরবরাহ করত মনোতোষের মডার্ন ডেকরেটার্স। বিজেপির একাংশের কটাক্ষ, তৃণমূলের আমলেই ফুলেফেঁপে উঠেছিল মনোতোষের ব্যবসা। দক্ষিণ কলকাতার এই ডেকরেটার্স সংস্থা একের পর এক সরকারি কর্মসূচিরও বরাত পেয়েছিল। সে সব কারণেই তৃণমূলকে নিজের বাড়ি ব্যবহার করতে দিয়েছিলেন মনোতোষ। যদিও মনোতোষের অভিযোগ, তিনি অনেক কর্মসূচির টাকাই ঠিকঠাক পাননি। চেয়েও সে সব টাকা মেলেনি। এখন বাড়ি ছাড়ার বিষয়েও তৃণমূলের তরফে কিছু জানানো হয়নি। তাই তিনি সোমবার থানায় জিডি করতে যাচ্ছেন।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement