Covid-19

দেহ সৎকারে উদ্যোগী পুলিশ

বৌবাজার থানা সূত্রে খবর, বৃদ্ধের পরিবারের তরফে থানায় ফোন করা হয়। খবর পেয়েই থানার তরফ থেকে বৃদ্ধের জন্য ডেথ সার্টিফিকেট জোগাড় করা হয়।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ অগস্ট ২০২০ ০১:৩২
Share:

প্রতীকী ছবি

পুলিশি তৎপরতায় সরানো হল করোনা আক্রান্ত দুই বৃদ্ধের দেহ। সোমবার সকালে বৌবাজারের মলঙ্গা লেনের বাসিন্দা বছর আশির এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। তাঁর পরিজনেরা জানান, বৃদ্ধ করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। বাড়িতেই তাঁর চিকিৎসা চলছিল। রবিবার গভীর রাতে তাঁর মৃত্যু হয়। কিন্তু করোনার পরিবেশে কোনও চিকিৎসক ডেথ সার্টিফিকেট না দেওয়ায় তাঁর পরিবারের লোকজন অসহায় অবস্থার মধ্যে পড়েছিলেন।

Advertisement

বৌবাজার থানা সূত্রে খবর, বৃদ্ধের পরিবারের তরফে থানায় ফোন করা হয়। খবর পেয়েই থানার তরফ থেকে বৃদ্ধের জন্য ডেথ সার্টিফিকেট জোগাড় করা হয়। পুলিশই অ্যাম্বুল্যান্সের জন্য পুরসভায় খবর দেয়। তার পরে বৃদ্ধের দেহ সৎকার করতে পাঠানো হয়। একই ভাবে বছর পঁচাশির এক বৃদ্ধের দেহ সরানোর ব্যবস্থা করে গরফা থানার পুলিশও। সোমবার বেলা ১১টা নাগাদ গরফা থানার কাছে খবর আসে রাজকৃষ্ণ পাল লেনের এক বৃদ্ধ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। পারিবারিক চিকিৎসক এ ক্ষেত্রে ডেথ সার্টিফিকেট দিলেও দেহ সৎকার করতে নিয়ে যাওয়ার জন্য অ্যাম্বুল্যান্সের প্রয়োজন ছিল। গরফা থানার পুলিশ পুরসভায় ফোন করে দু’ঘণ্টার মধ্যে অ্যাম্বুল্যান্স আনিয়ে ওই বৃদ্ধের দেহ সৎকার করতে পাঠায়।

বেশ কয়েক দিন ধরেই শহরের বিভিন্ন প্রান্তে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর পরে দেহ নিয়ে যাওয়া নিয়ে গড়িমসির অভিযোগ উঠছিল। কোথাও ১২ ঘণ্টা, তো কোথাও ১৫ ঘণ্টা দেহ পড়ে থাকছিল। ডেথ সার্টিফিকেট জোগাড় করতেও হিমশিম খাচ্ছিলেন মৃতের পরিজনেরা। বার বার এ ধরনের অভিযোগ সামনে আসায় বিভিন্ন থানা একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেশন প্রসিডিউর (এসওপি) মানতে শুরু করে। নিজের থানা এলাকায় বাড়িতে কারও মৃত্যুর হলে স্বাস্থ্য দফতর ও পুরসভাকে জানিয়ে তাড়াতাড়ি যাতে দেহ সৎকার করতে পাঠানো যায়, তার ব্যবস্থা করতে শুরু করে পুলিশ। সেই পদ্ধতি মেনেই সোমবার সাফল্য পেল দুই থানা।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement