— প্রতীকী চিত্র।
সরকারি হাসপাতালে শয্যা না পাওয়া রোগীর জন্য বেসরকারি হাসপাতালের মোট শয্যার ১০ শতাংশ সংরক্ষিত থাকবে। সেই হিসাবে শহরের ১৭টি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে প্রাপ্ত শয্যার সংখ্যা ৬৬০টি হচ্ছে বলে খবর। বৃহস্পতিবারই ওই সব বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে বৈঠক করেছে স্বাস্থ্য ভবন।
সূত্রের খবর, অ্যাপোলো হাসপাতালে ৭৫, ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স, কলকাতার ২১, ইনস্টিটিউট অব চাইল্ড হেল্থের ২১, ইসলামিয়া হাসপাতালের ২০, মণিপাল গোষ্ঠীর হাসপাতালে ১০০, ডিসানের ৫১, কেপিসির ১০৬, রুবি জেনারেলের ৪০, ফর্টিসের ৩৩, নারায়ণা হাসপাতালের ৬৮, অরবিন্দ সেবা সদনের ১৬, ভাগীরথী নেওটিয়ার ১১, বি পি পোদ্দারের ৩১, পিয়ারলেসের ৬৭টি শয্যার পরিসংখ্যান তৈরি করেছে স্বাস্থ্য দফতর। তবে, ১৭টির মধ্যে দু’টি হাসপাতাল মোট শয্যার ১০ শতাংশ দিতে নিমরাজি। যদিও তাদেরও সরকারের সিদ্ধান্ত মানতে হবে বলে জানানো হয়েছে।
তৈরির সময়ে জমি-সহ কোনও না কোনও সরকারি সহায়তা নেওয়া বেসরকারি হাসপাতালগুলি মোট শয্যার ১০ শতাংশ সরকারকে ব্যবহার করতে দেবে, এই নিয়ম বহু পুরনো হলেও এত দিন মানা হয়নি। নতুন সরকার প্রথম থেকেই এই বিষয়ে জোর দিয়েছেন বলে জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার। সূত্রের খবর, আজ, শনিবার জেলার বেসরকারি হাসপাতাল এবং সোমবার বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলির সঙ্গে বৈঠক হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘বেসরকারি শয্যার বিষয়টি ফলপ্রসূ করতে মঙ্গলবার নিজেরা পর্যালোচনা করব। বুধবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করব।’’
স্বাস্থ্যকর্তাদের অনুমান, শহর ও জেলা মিলিয়ে মোট শয্যা সংখ্যা এক হাজার হতে পারে। সুমনা বলেন, ‘‘বেসরকারি হাসপাতালের সব শয্যা একত্রিত করে যত দ্রুত সম্ভব সেগুলি পরিষেবায় ব্যবহার করা হবে।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে