Roof Collapsed in Park Street

পার্ক স্ট্রিটে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল পুরনো বাড়ির ছাদের একাংশ, দাবি শুক্রবারের কম্পনের জেরেই এই ঘটনা

বাসিন্দাদের দাবি, শুক্রবারের ভূমিকম্পের জেরে পুরনো বাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ভিতর থেকে দুর্বল হয়ে পড়া বাড়িটির ছাদ সেই কারণেই ভেঙে পড়েছে বলে দাবি তাঁদের।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৩ মার্চ ২০২৬ ১০:৩৭
Share:

ভেঙে পড়েছে পুরনো বাড়ির ছাদের একাংশ। মঙ্গলবার সকালে পার্ক স্ট্রিটে। —নিজস্ব চিত্র।

পার্ক স্ট্রিটে ভেঙে পড়ল পুরনো বাড়ির ছাদের একাংশ। অল্পের জন্য বড় বিপদের হাত থেকে রেহাই পেলেন বাড়়ির বাসিন্দারা। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ পার্ক স্ট্রিটের ইলিয়ট রোডে ওই বাড়িটির একাংশ ভেঙে পড়ে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যায় পার্ক স্ট্রিট থানার পুলিশ। বাড়ির বাসিন্দাদের দাবি, শুক্রবারের ভূমিকম্পের জেরেই এই ঘটনা।

Advertisement

স্থানীয়দের দাবি, পুরনো ওই বাড়ির নানা অংশে পলেস্তারা খসে গিয়েছিল আগেই। সোমবার বাড়িটির ছাদ ভেঙে পড়ার সময় অবশ্য ভিতরে ছিলেন না কেউ। বাড়ির এক বাসিন্দা বলেন, “তখন আমরা কেউই ভিতরে ছিলাম না। এক-দু’মিনিট এ দিক-ও দিক হলেই প্রাণে মারা যেতাম। উপরওয়ালা বাঁচিয়ে দিয়েছেন।” বাড়িটিকে বিপজ্জনক বলে ঘোষণা করার জন্য পুরসভার কাছে আবেদন করা হয়েছিল কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে বাসিন্দারা জানান, ততটাও খারাপ পরিস্থিতি ছিল না।

তবে বাসিন্দাদের দাবি, শুক্রবারের কম্পনের জেরে পুরনো বাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ভিতর থেকে দুর্বল হয়ে পড়া বাড়িটির ছাদ সেই কারণেই ভেঙে পড়েছে বলে দাবি তাঁদের। কী কারণে এই ঘটনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ভিতরে কেউ আটকে না-থাকায় দমকলকে খবর দিতে হয়নি।

Advertisement

শুক্রবার দুপুর ১টা ২২ মিনিটে ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে কলকাতা। কম্পন অনুভূত হয় অন্যান্য জেলাতেও। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলা, যা কলকাতা থেকে ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত। মার্কিন ভূকম্প পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৩। উৎপত্তিস্থল মাটি থেকে ৯.৮ কিলোমিটার গভীরে। ভারতের ভূকম্প বিজ্ঞান কেন্দ্র (ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি) জানায়, কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৫।

শুক্রবার কম্পনের পরেই গণেশচন্দ্র অ্যাভিনিউ লাগোয়া ৩৪এ মেটকাফ স্ট্রিটের একটি বহুতল হেলে গিয়েছে বলে দাবি করেন স্থানীয়দের একাংশ। তবে বহুতলের বাসিন্দা এবং স্থানীয়দের অন্য একটি অংশের তরফে দাবি করা হয়, বাড়িটি দীর্ঘ দিন ধরে একই অবস্থায় রয়েছে। হেলে পড়ার বিষয়টি উড়িয়ে দেন তাঁরা। পরে কলকাতা পুরসভার বিল্ডিং বিভাগের তরফ থেকেও জানানো হয়, ২০ বছর ধরেই বাড়িটি ওই অবস্থায় রয়েছে। ভূমিকম্পে হেলে পড়ার কোনও ঘটনা ঘটেনি।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement