বিমানবন্দরে ধৃত ৬

আমদানির পরিমাণ দেখে চোখ কপালে উঠেছিল শুল্ক অফিসারদের। গোছা গোছা আইফোন, স্মার্টফোন রোলেক্সের ঘড়ি, সোনাও! কেন্দ্রীয় শুল্ক গোয়েন্দা দফতর (ডিআরআই) সূত্রে খবর ছিল শনিবার রাতে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছনো তাই এয়ারওয়েজের একটি বিমানে প্রচুর বৈদ্যুতিন পণ্য, সোনা নিয়ে আসছেন ৬ জন যাত্রী। সেই মতো হাজির ছিলেন শুল্ক অফিসারেরা।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ জুন ২০১৫ ০৩:৩০
Share:

আমদানির পরিমাণ দেখে চোখ কপালে উঠেছিল শুল্ক অফিসারদের। গোছা গোছা আইফোন, স্মার্টফোন রোলেক্সের ঘড়ি, সোনাও!
কেন্দ্রীয় শুল্ক গোয়েন্দা দফতর (ডিআরআই) সূত্রে খবর ছিল শনিবার রাতে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছনো তাই এয়ারওয়েজের একটি বিমানে প্রচুর বৈদ্যুতিন পণ্য, সোনা নিয়ে আসছেন ৬ জন যাত্রী। সেই মতো হাজির ছিলেন শুল্ক অফিসারেরা। বিমান থেকে নামতেই ওই ছ’জনকে আটক করে উদ্ধার করা হয় আইফোন ও ২ কোটি ২০ লক্ষ টাকার সোনা। ডিআরআই সূত্রে খবর, ওই বিমানেই আসেন আরও ৫৪ জন পাচারকারী। তাঁদেরও ধরা হয়েছে। ডিআরআই জানায়, বাজেয়াপ্ত জিনিসের আর্থিক মূল্য ৩৩ কোটি।
এত পরিমাণ বেআইনি জিনিস আনা হচ্ছিল কেন? শুল্ক দফতরের একাংশ জানান, বিদেশ থেকে জিনিস আনালে নির্দিষ্ট একটি পরিমাণ পর্যন্ত শুল্ক দিতে হয় না। অনেক সময় তার থেকে বেশি জিনিস আনা হলে লুকিয়ে পাচার করা হয়। এই সব বেআইনি ভাবে আমদানি করা বৈদ্যুতিন পণ্য বহু ক্ষেত্রে জাল হয়। তাই বিদেশের বাজার থেকে সস্তায় কিনে এখানে বিক্রি করা হয়। শুল্ক দফতরের এক কর্তা বলছেন, এদের পোশাকি নাম ‘কেরিয়ার’। আরআই অফিসারদের সন্দেহ, বাজেয়াপ্ত দ্রব্যের মধ্যে প্রচুর জাল জিনিস থাকতে পারে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement