Red Road Accident

রেড রোডে দুর্ঘটনা, প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজের মহড়ায় ঢুকল বেপরোয়া গাড়ি! ফেরাল এক সেনাকর্তার মৃত্যুর স্মৃতি

শনিবার সকালে রেড রোডে নিরাপত্তার ঘেরাটোপে কুচকাওয়াজের মহড়া চলছিল। সেই সময় একটি বিলাসবহুল গাড়ি দ্রুত গতিতে রেড রোডের দিক থেকে পার্ক স্ট্রিটের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করে। গাড়িটিকে থামানোর চেষ্টা করে পুলিশ।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:৪৫
Share:

প্রতীকী ছবি।

আবার রেড রোড। আবার সেই প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজের মহড়া। শনিবার প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজের মহড়া চলাকালীন গার্ডরেল ভেঙে ঢুকে পড়ল একটি বেপরোয়া বিলাসবহুল গাড়ি। আর ২০১৬ সালে কুচকাওয়াজের সময় এক বায়ুসেনা অফিসারের মৃত্যুর স্মৃতি উস্কে দিল শনিবার সকালের এই ঘটনা।

Advertisement

জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে রেড রোডে নিরাপত্তার ঘেরাটোপে কুচকাওয়াজের মহড়া চলছিল। সেই সময় একটি বিলাসবহুল গাড়ি দ্রুত গতিতে রেড রোডের দিক থেকে পার্ক স্ট্রিটের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করে। গাড়িটিকে থামানোর চেষ্টা করে পুলিশ। কিন্তু সেই সময়েই গাড়ির গতি বাড়িয়ে দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন চালক। তখনই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারের গার্ডরেলে সজোরে মারে গাড়িটি। সংঘর্ষের জেরে গাড়িটির বাঁদিকের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর নেই বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এই ঘটনার পর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনার পরই গাড়িটিকে বাজেয়াপ্ত করা হয়। ময়দান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাড়িচালককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, বাজেয়াপ্ত হওয়া গাড়িটির বিমা এবং দূষণের শংসাপত্রের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গিয়েছে। বৈধ নথি ছাড়াই গাড়িটি চালানো হচ্ছিল বলে অভিযোগ। গাড়ির নথিপত্র ছিল না বলেই কি চালক পালানোর চেষ্টা করেন, না কি নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Advertisement

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে ১৩ জানুয়ারি ঠিক একই রকম ঘটনার সাক্ষী ছিল কলকাতা। ঘটনাস্থল রেড রোড। সেই সময়েও প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে মহড়ার মাঝে ব্যারিকেড ভেঙে ঢুকে পড়েছিল একটি বেপরোয়া গাড়ি। সেই গাড়ির ধাক্কার মৃত্যু হয়েছিল ভারতীয় বায়ুসেনার অফিসার অভিমন্যু গৌড়ের। অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন আরজেডি বিধায়ক মহম্মদ সোহরাবের পুত্র আম্বিয়া এবং সাম্বিয়া সোহরাবের বিরুদ্ধে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement