Sujit Bose

প্রায় ৯ ঘণ্টা পর সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরোলেন সুজিত, বললেন, ‘সহযোগিতা করব, চুরি করা অপরাধ, ব্যবসা করা নয়’

কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ মতো শুক্রবার সকালে ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন সুজিত। পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলাতে তাঁকে তলব করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ মে ২০২৬ ২০:৫৩
Share:

সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি সুজিত বসু। —নিজস্ব চিত্র।

সিজিও কমপ্লেক্সে শুক্রবার সকাল ১০টা ২৫ নাগাদ এসেছিলেন রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী সুজিত বসু। ইডি দফতর থেকে বেরোলেন সন্ধ্যা সওয়া ৭টা নাগাদ। প্রায় ন’ঘণ্টা ইডি দফতরে ছিলেন সুজিত। সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, ‘‘আমি সাক্ষী হিসাবে এসেছিলাম।’’ তবে সুজিত এ-ও জানান, তদন্তে সহযোগিতার জন্য তাঁকে ডাকা হলে অবশ্যই আসবেন। ইডির উদ্দেশে তাঁর বার্তা, ‘‘কখনও যেন হেনস্থার জন্য ডাকা না-হয়।’’ শেষে সুজিতের বক্তব্য, ‘‘ব্যবসা করা কখনও কোনও অপরাধ নয়। চুরি করাটা অপরাধ।’’

Advertisement

কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ মতো শুক্রবার সকালে ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন সুজিত। পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলাতে তাঁকে তলব করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। সন্ধ্যায় সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে সুজিত বলেন, ‘‘সকলেই জানেন যে বিষয়ে আমাকে ডাকা হয়েছিল, সেই মামলায় সিবিআই ইতিমধ্যে চার্জশিট দিয়ে দিয়েছে। সেখানে কোথাও আমার নাম নেই।’’

বস্তুত, অতীতেও এই একই দাবি বার বার করেছেন সুজিত। সিজিও কমপ্লেক্সে ঢোকার মুখে তিনি জানান, কেন নোটিস পাঠানো হচ্ছে সে বিষয়ে তাঁর কিছু জানা নেই। সিজিও থেকে বেরিয়ে সুজিত বলেন, ‘‘সাক্ষী হিসাবে আমাকে ডেকেছিল। তদন্তে সব সময় সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছি। আমি বলেছি, যা সহযোগিতা লাগবে, করব। আজ সেই সহযোগিতা করতেই এসেছিলাম। আবার যদি ডাকে, তদন্তে সহযোগিতা করতে আসব।’’ তার পরেই ইডির উদ্দেশে বিদায়ী দমকলমন্ত্রীর বার্তা, ‘‘একটা জিনিস বলার প্রয়োজন, কখনই যেন হেনস্থার জন্য না-ডাকে। আমি এই মামলায় নেই। সেটা আমিও জানি, ওরাও জানে।’’ সুজিত জানান, তাঁর কাছে দু’-একটা নথি চাওয়া হয়েছে, সেই সব নথি তিনি জমা করবেন।’’ শেষে সুজিত বলেন, ‘‘আমার দুটো রেস্তরাঁ আছে, সেটা সবাই জানেন। ধাবা আমাদের নয়। ব্যবসা করাটা অপরাধ নয়, চুরি করাটা অপরাধ।’’ গাড়িতে ওঠার আগে আত্মবিশ্বাসীর সুরে বলেন, ‘‘আমরা জিতব, সরকার আমরাই গড়ব।’’

Advertisement

উল্লেখ্য, বিগত কয়েক দিনের মধ্যে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সুজিতকে একাধিক বার তলব করেছে ইডি। তবে তিনি প্রতি বারই ইডির থেকে সময় চেয়ে চিঠি পাঠান। এ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন সুজিত। ভোটের কাজে ব্যস্ততার কথা তিনি আদালতেও জানিয়েছিলেন। বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের বেঞ্চ জানিয়েছিল, ১ মে সুজিতকে হাজিরা দিতে হবে ইডি দফতরে। আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যেই ইডি দফতরে হাজিরা দেন সুজিত।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement