হোমে ঠাঁই সেই শিশু ও মহিলার

হাওড়া-ব্যান্ডেল লেডিজ স্পেশাল ট্রেন থেকে বৃহস্পতিবার উদ্ধার হওয়া শিশু ও মহিলাকে শুক্রবার হাওড়া আদালতে হাজির করা হয়। দু’জনকেই সাত দিনের জন্য হুগলির উত্তরপাড়ায় একটি হোমে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ মে ২০১৫ ০০:১৫
Share:

হাওড়া-ব্যান্ডেল লেডিজ স্পেশাল ট্রেন থেকে বৃহস্পতিবার উদ্ধার হওয়া শিশু ও মহিলাকে শুক্রবার হাওড়া আদালতে হাজির করা হয়। দু’জনকেই সাত দিনের জন্য হুগলির উত্তরপাড়ায় একটি হোমে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

Advertisement

রেলপুলিশের অনুমান, শিশুটি ওই মহিলারই সন্তান। তবে ওই মহিলা হয়তো খানিকটা মানসিক ভারসাম্যহীন। তাই মাঝেমাঝে অসংলগ্ন কথা বলছেন। হয়তো এ জন্যই শিশুটিকে ট্রেনের মেঝেতে শুইয়ে রেখেছিলেন এবং যাত্রীদের প্রশ্নে ব্যাগে ভরে তাকে ফেলেও দিতে গিয়েছিলেন। আবার শিশুটিকে উদ্ধার এবং মহিলাকে গ্রেফতার করে যখন বেলুড় জিআরপি-তে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন ওই মহিলা শিশুটিকে নিজের সন্তান বলে দাবি করেন। এর পরে মহিলা কনস্টেবলরা শিশুটিকে তাঁর কাছে নিয়ে গেলে তিনি দুধও খাওয়ান বলে জানায় রেলপুলিশ। রাতেই দু’জনকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পরে রেলপুলিশ জানায়, মহিলা বেশিরভাগ কথাই বলেছেন মরাঠিতে। ভাঙা হিন্দিতে জানিয়েছেন, তাঁর নাম আশা। তিনি মুম্বইয়ে থাকেন। কিছুদিন আগে স্বামীর সঙ্গে কাজের খোঁজে কলকাতায় আসেন। হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যান স্বামী। এর পর থেকেই নাকি তিনি শিশুটিকে নিয়ে বিভিন্ন স্টেশনে স্বামীকে খুঁজতে যান। শুক্রবার রেলপুলিশের মহিলা কনস্টেবলেরা আশাকে পরিচ্ছন্ন পোশাক দেন। হোমে যাতে কোনও অসুবিধা না হয় তাই শিশুটিরও সব জিনিসপত্র কিনে দেওয়া হয়।

Advertisement

এ দিন আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে ফের ওই মহিলাকে প্রশ্ন করা হয় শিশুটি তাঁর কি না এবং নিজের হলে তাঁকে ফেলে দিতে যাচ্ছিলেন কেন। মহিলার উত্তর, ‘‘আমারই বাচ্চা। ফেলে দেব কেন?’’

রেলপুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাত দিন পরে আদালত কী রায় দেয় তা যেমন দেখা হবে, তেমনি মুম্বইয়েও খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement