West Bengal Assembly Election 2026

অনুদান নিলেও ভোট নিজের মতে, ব্রিগেডে সুর বিজেপি কর্মীদের

এ দিন বিজেপি-র ব্রিগেড সমাবেশে যোগ দিতে যাওয়া অনেকের মুখেই আগাগোড়া শোনা গিয়েছে রাজ্যে নতুন কল-কারখানা তৈরি না হওয়া নিয়ে অভিযোগ। তাঁদের দাবি, কাজের বাজার প্রতিদিন সঙ্কুচিত হচ্ছে।

কাজল গুপ্ত

শেষ আপডেট: ১৫ মার্চ ২০২৬ ০৮:১৭
Share:

—প্রতীকী চিত্র।

বিভিন্ন প্রকল্পের আর্থিক অনুদান কি বড় প্রভাব ফেলতে চলেছে আসন্ন নির্বাচনে? সম্প্রতি যুবসাথী প্রকল্পের সূচনা এবং দীর্ঘদিন ধরে চলা অন্য প্রকল্পগুলির অনুদান বাড়ানোর ঘোষণার পর থেকেই এই চর্চা চলছে। যা সমান ভাবে চোখে পড়ল শনিবার, বিজেপি-র ব্রিগেড সমাবেশেও। সেখানে আগত অনেকেই যদিও দাবি করলেন, সরকারি প্রকল্প কোনও দলের ব্যাপার নয়। ফলে, সেই প্রকল্পের সুযোগ নেওয়ার অর্থ সরকারে থাকা দলকেই ভোট দেওয়া নয়। যদিও রাজ্যের শাসকদল প্রকল্পের সুবিধা নিয়ে অন্য দলকে ভোট দেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে দ্বিচারিতা করা হচ্ছে বলে বার বারই অভিযোগ তুলেছে।

এ দিন বিজেপি-র ব্রিগেড সমাবেশে যোগ দিতে যাওয়া অনেকের মুখেই আগাগোড়া শোনা গিয়েছে রাজ্যে নতুন কল-কারখানা তৈরি না হওয়া নিয়ে অভিযোগ। তাঁদের দাবি, কাজের বাজার প্রতিদিন সঙ্কুচিত হচ্ছে। কাজের বাজার তৈরি করার বদলে দান-খয়রাতি চলছে বছরভর। এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রশ্ন করা হয়েছিল, যুবসাথী প্রকল্পে আবেদন করেছিলেন? তাতেই উত্তর এল, ‘‘সাধারণ মানুষের দেওয়া কর থেকেই তো প্রকল্পের টাকা দেওয়া হচ্ছে। নিতে অসুবিধা কোথায়?’’

নদিয়ার নাকাশিপাড়া থানা এলাকা থেকে ব্রিগেডে আসা বিজেপি কর্মী গোপালচন্দ্র রায়ের আবার মন্তব্য, ‘‘যুবসমাজ যদি ওই টাকাতেই সন্তুষ্ট থাকে, তবে ভবিষ্যৎ বলে কিছু থাকবে না। প্রয়োজন কর্মসংস্থানের। বিজেপি এলে কর্মসংস্থান বাড়বে বলেই আশা।’’ সুনীল সরকার নামে এক বিজেপি কর্মীর কথায়, ‘‘যুবসাথীর ১৫০০ টাকা মানে শিক্ষিত একটি ছেলে দৈনিক ৫০ টাকা পাবে। আর এক জন রাজমিস্ত্রি দৈনিক ৪৫০ টাকা মজুরি পান। এটাই তফাত। তা হলেই বুঝুন, পরের প্রজন্মকে কোথায় দাঁড় করাচ্ছে রাজ্য সরকার।’’

নদিয়ার করিমপুরের এক বিজেপি কর্মী অর্জুন দাস জানালেন, তিনি পেশায় সঙ্গীতশিল্পী। বললেন, ‘‘হরিনাম সঙ্কীর্তন করে রোজগার করতাম। এখন আর বাজার নেই। তাই যুবসাথীর আবেদন করলাম।’’ তৃণমূল কর্মীদের একাংশের দাবি, এটা দ্বিচারিতা। যদি প্রকল্পের বিরোধিতাই করতে হয়, তবে সেই প্রকল্পের সুবিধা কেন নেওয়া হচ্ছে? বর্ধমানের জীবন সাহার পাল্টা মন্তব্য, ‘‘দ্বিচারিতা কেন হবে? টাকা তৃণমূলের নয়, টাকা দিচ্ছে রাজ্য সরকার। রাজ্যবাসী হিসেবে আবেদন করতেই পারি।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন