নলহাটি ২ ব্লকের শীতলগ্রাম, বারা, কাঁটাগরিয়া-সহ বিভিন্ন জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল। শনিবার। নিজস্ব চিত্র
নির্বাচনের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দীর্ঘ সময় স্কুলে থাকতে দিতে হতে পারে ধরে নিয়ে স্কুলের পঠনপাঠন বৃদ্ধির উপর জোর দিলেন বড়শাল উচ্চ বিদ্যালয় স্কুল কর্তৃপক্ষ। বেশ কিছুদিন থেকে ওই স্কুলে শনিবার চারটি ক্লাসের পরিবর্তে আটটি ক্লাস নেওয়া হচ্ছে।
স্কুলের টিচার-ইন-চার্জ শম্ভুনাথ চৌধুরী জানান, মার্চ মাসে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে স্কুলে থাকতে দেওয়ার জন্য পুলিশ-প্রশাসন থেকে আগাম জানানো হয়েছিল। তবে স্কুল পরিচালন কমিটি ও স্টাফ কাউন্সিল সিদ্ধান্ত নিয়ে পড়ুয়াদের স্বার্থে বর্তমানে কেন্দ্রীয় বাহিনী স্কুলে থাকতে না দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। শম্ভুনাথ বলেন, ‘‘আগামী দিনে যদি পুলিশ প্রশাসনের চাপে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে স্কুলে থাকতে দিতেই হয়, সে জন্য প্রতি শনিবার চারটি ক্লাসের পরিবর্তে আটটি করে ক্লাস করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’’
স্কুল পরিচালন কমিটির সভাপতি ত্রিদিব ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘নির্বাচন এবং নির্বাচনোত্তর রাজনৈতিক পরিস্থিতি যে রকম দাঁড়ায়, তাতে দীর্ঘ সময় কেন্দ্রীয় বাহিনী স্কুলে থেকে যায়।’’ তিনি জানান, এর আগে স্কুলে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে থাকতে দেওয়ার ফলে এই রকম সমস্যায় স্কুলের পড়ুয়াদের পঠন পাঠন শেষ করা যায়নি। তাই পড়ুয়াদের পড়াশোনা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে কারণে স্কুল কর্তৃপক্ষ আপাতত স্কুলে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে ত্রিদিব জানান।
স্কুলের শিক্ষকরাও জানালেন, বাহিনীর উপস্থিতিতে দৈনন্দিন পঠনপাঠন নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাওয়া সমস্যা হয়। আবার দীর্ঘদিন স্কুলে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকার ফলে বিদ্যালয় চত্বরটির পরিকাঠামোরও ক্ষতি হয়। তাই শিক্ষকেরাও স্কুল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তকে মান্যতা দিয়ে শনিবার বাড়তি ক্লাস করাচ্ছেন।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে