শিমুইয়ের বিরিয়ানির রেসিপি। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
সামনেই ইদ। তার উপরে সন্ধ্যা হলেই বসন্তের ফুরফুরে হাওয়া। ইদের রাতে জমাটি ভোজের জন্য নতুন ধরনের বিরিয়ানি রেঁধে ফেলতে পারেন। তবে এ পদে ভাতের বদলে সেমাই ব্যবহার করলে কেমন হয়? সুগন্ধি মশলাপাতির গুণে এই বিরিয়ানির স্বাদে যোগ হোক অন্য এক মাত্রা। উ়ৎসবের দিনে এমন এক নতুন ধরনের বিরিয়ানি খেতেও মজা, বেশি খাটনিরও প্রয়োজন নেই। শিখে নিন রান্নার প্রণালী।
উপকরণ
মটনের জন্য
৫০০ গ্রাম মটন (টুকরো করা)
১ কাপ টক দই
২ টেবিল চামচ আদা-রসুন বাটা
১ চা চামচ লঙ্কাগুঁড়ো
আধ চা চামচ হলুদগুঁড়ো
১ চা চামচ গরমমশলা গুঁড়ো
স্বাদমতো নুন
সেমাই বিরিয়ানির জন্য
২ কাপ সেমাই
৩ টেবিল চামচ কাজু
২ টেবিল চামচ কিশমিশ
২টি বড় পেঁয়াজ (সরু করে কাটা)
২টি টম্যাটো (কুচোনো)
৪টি কাঁচালঙ্কা (চিরে রাখা)
১ কাপের এক-চতুর্থাংশ ধনেপাতা (কুচোনো)
১ কাপের এক-চতুর্থাংশ পুদিনাপাতা (কুচোনো)
২ টেবিল চামচ গরম দুধে মেশানো আধ চা চামচ কেশর
৪ কাপ জল
৪ টেবিল চামচ ঘি বা তেল
অন্যান্য মশলা
২টি তেজপাতা
৪টি লবঙ্গ
২টি এলাচ
১ ইঞ্চি দারচিনি
প্রণালী
প্রথমে মটন ম্যারিনেট করে রাখতে হবে। টক দই, আদা-রসুন বাটা, লঙ্কাগুঁড়ো, হলুদগুঁড়ো, গরমমশলা এবং নুন দিয়ে মটন ভাল করে মাখিয়ে রাখতে হবে। সারা রাত রাখতে পারলে ভাল। সময় না থাকলে অন্তত ১ ঘণ্টা রাখুন। তার পর একটি বড় কড়াইয়ে তেল বা ঘি ফুটতে দিন। সমস্ত গোটা মশলা তাতে ঢেলে গন্ধ বেরোনো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তার পর পেঁয়াজ মিশিয়ে নাড়াচাড়া করুন। বাদামি রং ধরার পর ম্যারিনেট করা সমস্ত মটন মিশিয়ে দিন। আঁচ বাড়িয়ে মিনিট পাঁচেক রেখে দিন। টম্যাটো মেশানোর পর ভাল করে কষিয়ে মাংস রাঁধুন।
এক দিকে মাংস রান্না হোক, অন্য দিকে সেমাই প্রস্তুত করুন। অন্য একটি কড়াইয়ে ঘি বা তেল গরম করতে দিন। তাতে সেমাই ঢেলে বাদামি রং ধরা পর্যন্ত নাড়াচাড়া করুন। তার পর জল মিশিয়ে সেদ্ধ করতে দিন। শেষে জলটুকু ছেঁকে ফেলে দিতে হবে।
মটন ও সেমাই প্রস্তুত হয়ে গেলে বড় কোনও পাত্রে (হাঁড়ি হলেই ভাল) বিরিয়ানির স্তরগুলি তৈরি করা শুরু করুন। প্রথমে অর্ধেক সেমাই ঢালুন পাত্রে। এর উপরে রান্না করা মটনের মিশ্রণের অর্ধেকটা ছড়িয়ে দিন। কিছু পুদিনা, ধনেপাতা, ভাজা কাজু এবং কিশমিশ ছিটিয়ে দিন। বাকি সেমাই এবং মটন দিয়ে আবার একই রকম ভাবে স্তর তৈরি করুন। একেবারে উপরের স্তরে কেশর মেশানো দুধ ছিটিয়ে দিন।