টুকরো খবর

কোমরে বেল্টের উপরে পরা ছিল আরও একটি বেল্ট। দু’টির মাঝখানে ছোট পাউচে চারটি সোনার বার। এ ভাবেই লুকিয়ে বেল্টের মধ্যে সোনার বার আনতে গিয়ে বুধবার সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে শুল্ক দফতরের অফিসারের কাছে ধরা পড়ে গেলেন এক ব্যক্তি। কাতার বিমানসংস্থার উড়ানে মুম্বইয়ের বাসিন্দা এই ব্যক্তি দোহা থেকে এসে কলকাতায় নামেন।

Advertisement
শেষ আপডেট: ২৭ মার্চ ২০১৪ ০২:৪১
Share:

দুই বেল্টের মাঝে সোনা

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

কোমরে বেল্টের উপরে পরা ছিল আরও একটি বেল্ট। দু’টির মাঝখানে ছোট পাউচে চারটি সোনার বার। এ ভাবেই লুকিয়ে বেল্টের মধ্যে সোনার বার আনতে গিয়ে বুধবার সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে শুল্ক দফতরের অফিসারের কাছে ধরা পড়ে গেলেন এক ব্যক্তি। কাতার বিমানসংস্থার উড়ানে মুম্বইয়ের বাসিন্দা এই ব্যক্তি দোহা থেকে এসে কলকাতায় নামেন। শুল্ক দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁর সঙ্গের চারটি সোনার বারের মোট ওজন ছিল সাড়ে চারশো গ্রামের কিছু বেশি। যার বর্তমান বাজার মূল্য ১৩ লক্ষ টাকা। ওই সোনা বাজেয়াপ্ত করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে যাত্রীকে। এ দিকে, মঙ্গলবার রাতে এক যাত্রী কলকাতা থেকে তাই এয়ারওয়েজের উড়ানে ব্যাঙ্কক যাচ্ছিলেন নিয়ম বহির্ভূত বিদেশি মুদ্রা সঙ্গে নিয়ে। কর্ণাটকের ভাটকলের বাসিন্দা এই ব্যক্তির কাছ থেকে মার্কিন ডলার, তাই ভাট, পাউন্ড, ইউরো, সুইস ফ্রাঁ উদ্ধার করা হয়েছে। ভারতীয় মুদ্রার হিসেবে যার মূল্য সাড়ে ১৫ লক্ষ টাকার বেশি। শুল্ক দফতরের নিয়ম অনুযায়ী, এক জন বিমানযাত্রী পাঁচ হাজার মার্কিন ডলার বা তার সম মূল্যের মুদ্রা নিয়ে যেতে পারেন বিদেশে। ওই মুদ্রা বাজেয়াপ্ত করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে অভিযুক্ত যাত্রীকে। সোনার মতোই যাত্রীর সঙ্গে থাকা বিদেশি মুদ্রার মূল্য ২০ লক্ষ টাকার কম হলে সেই যাত্রীকে গ্রেফতার করার নিয়ম নেই।

Advertisement

গার্ডেনরিচে পুলিশ-খুনে চার্জ গঠনের দিন ধার্য

Advertisement

গার্ডেনরিচে কলকাতা পুলিশের সাব ইনস্পেক্টর (এসআই) তাপস চৌধুরী খুনের মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের দিন ধার্য হয়েছে আগামী ২১ এপ্রিল। বুধবার ওই মামলার বিচারের জন্য কলকাতা পুরসভার ১৫ নম্বর বরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান, তৃণমূল নেতা মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্না-সহ আট জন অভিযুক্তই আলিপুর আদালতের দ্বিতীয় ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে হাজির হয়েছিলেন। তাঁরা সকলেই এখন জামিনে মুক্ত। তবে ওই মামলায় শেখ সুভান নামে এক অভিযুক্ত এখনও জেল হাজতে রয়েছেন। তাঁকেও এ দিন বিচারক গৌরসুন্দর বন্দ্যোপাধ্যায়ের এজলাসে তোলা হয়। অভিযুক্ত শেখ সুভানের আইনজীবী নেই। তাই আদালতের তরফে ২১ এপ্রিল, চার্জ গঠনের দিন, তাঁকে আইনজীবী নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গার্ডেনরিচের হরিমোহন ঘোষ কলেজের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান এসআই তাপসবাবু। অভিযুক্তদের আইনজীবী অরিন্দম দাস জানান, ওই ঘটনায় হত্যার চেষ্টা-সহ আরও কয়েকটি অভিযোগে অন্য একটি মামলাও রয়েছে। সেখানে জনা কয়েক অভিযুক্ত এখনও ফেরার। তাঁদের বিরুদ্ধে আদালতের হুলিয়া জারির নির্দেশ বহাল রয়েছে।

খাদিম মামলার বিচার স্থগিত

নথিপত্র কলকাতা হাইকোর্টে চলে যাওয়ায় নিম্ন আদালতে খাদিম মামলার দ্বিতীয় পর্যায়ের বিচার স্থগিত হয়ে গেল। ২০০৯ সালে এই মামলার প্রথম পর্যায়ের বিচারে আফতাব আনসারি, আবদুর রহমান কুঞ্জি, হ্যাপি সিংহ, আকিব আলি খান-সহ পাঁচ জনের যাবজ্জীবন সাজা হয়েছিল। আলিপুর জেলের বিশেষ আদালতে এই মামলায় ধৃত আরও সাত জনের বিচার চলছে। হ্যাপি, কুঞ্জি ও আকিব হাইকোর্টে আপিল মামলা করেছে। তার শুনানির জন্য হাইকোর্টে নথি পাঠিয়ে দেওয়ায় বুধবার মামলা স্থগিত রাখার কথা জানানো হয়। এ দিন স্বাতী পাল আদালতে হাজির হননি

প্রেসিডেন্সিতে গণভোট

ছবি: রণজিৎ নন্দী

মেন্টর গ্রুপের চেয়ারম্যান পদে এবং উপাচার্য বাছাইয়ের সার্চ কমিটির সদস্য হিসেবে সুগত বসুর থাকা উচিত কি না, তা নিয়ে প্রেসিডেন্সিতে ছাত্র সংসদের উদ্যোগে চলছে গণভোট। সুগতবাবু লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী। বুধ ও বৃহস্পতিবারের ভোটাভুটির রায় নেতিবাচক হলে সুগতবাবুকে ইস্তফা দিতে বলা হবে বলে জানিয়েছে ছাত্র সংসদ।

বাধা দেওয়ায়

কর্তব্যরত অফিসারদের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে নির্বাচন কমিশন যাদবপুর কেন্দ্রে সিপিএমের এক জোনাল সম্পাদকের বিরুদ্ধে জামিন-অযোগ্য ধারায় মামলা করেছে। কমিশন সূত্রের খবর, রবিবার সন্তোষপুরের সুবোধ পার্কে সিপিএমের কর্মী-সম্মেলনে শব্দবিধি ভাঙায় কমিশনের দুই অফিসার যাদবপুর ১ নম্বর জোনাল কমিটির সম্পাদক সুব্রত দাশগুপ্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তখন তাঁদের বাধা দেওয়া হয় এবং পরিচয়পত্র দেখতে চাওয়া হয় বলে অভিযোগ। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ওই কেন্দ্রের সিপিএম প্রার্থী সুজন চক্রবর্তী বলেন, “জেলা নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে। আমরা কেন্দ্রীয় কমিশনে সব জানাব।”

বিরাট ও শিশু

মুখোমুখি। বুধবার, উত্তর কলকাতায়। ছবি: বিশ্বনাথ বণিক।

জীবনের সত্যকে ছবির সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া। ধর্মতলায়। ছবি: সুদীপ্ত ভৌমিক।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement