—প্রতীকী চিত্র।
একাধিক মামলায় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে না পেয়ে রাতে বাড়ি ‘সিল’ করেছিল পুলিশ। অভিযোগ, তার আগে ওই নেতার ষাটোর্ধ্ব মা ও নবতিপর ঠাকুমাকে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে বলা হয়। বাড়ির সামনে মন্দিরের বারান্দায় রাত কাটাতে বাধ্য হন দু'জন। শুক্রবার কোচবিহারের তুফানগঞ্জের মারুগঞ্জ এলাকার ওই ঘটনায়, কেন দুই বৃদ্ধাকে মন্দিরে আশ্রয় নিতে হল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। পুলিশের দাবি, তুফানগঞ্জ ১ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি তৃণমূলের রাজেশ তন্ত্রীর বিরুদ্ধে ২১ সালে ভোট-পরবর্তী সন্ত্রাস, বাড়িঘর ভাঙচুর-সহ দশটি মামলা রয়েছে। সে সূত্রে শুক্রবার রাতে তুফানগঞ্জ থানার পুলিশ তাঁর বাড়িতে যায়। রাজেশকে না পেয়ে বাড়ি ‘সিল’ করে। তার আগে, রাজেশের মা ও ঠাকুমাকে ঘর ছেড়ে যেতে বলা হয়।
রাজেশের দাবি, ‘‘পুলিশ আমার বিরুদ্ধে ভোট-পরবর্তী হামলার যে অভিযোগ করছে, সে সব মামলায় আগেই জামিন পেয়েছি। পুলিশ অন্যায় ভাবে আমার মা ও ঠাকুমাকে হেনস্থা করছে।’’ রাজেশের মা গৌরী বলেন, ‘‘পুলিশ আমাদের বেরোতে বলে বাড়ির সদর দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেয়। উপায় না থাকায়, মুড়ি-বিস্কুট খেয়ে বাড়ির পাশের মন্দিরে শাশুড়িকে নিয়ে রয়েছি।’’ তুফানগঞ্জ থানার পুলিশ এ ব্যাপারে কিছু বলেনি। জেলা পুলিশ সুপার জসপ্রীত সিংহকে ফোনে পাওয়া যায়নি।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে