মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত।
মুখ্যমন্ত্রী রমজান এবং হোলির শুভেচ্ছা জানান। তিনি জানান, শান্তিপূর্ণ ভাবে সব উৎসব পালন করা হবে বলেই তিনি আশা করেন। তিনি বলেন, ‘‘লক্ষ্মীর ভান্ডার যেতে শুরু করেছে। বাজেটের জন্য তিন-চার দিন দেরি হয়েছে। এটা ১৫ অগস্ট বলা ছিল। আমাদের ছোট ভুল হয়েছে। ভুল বলব না, ক্যাভিয়েটে উল্লেখ করেছি। এপ্রিলে অর্থবর্ষ শুরু হয়, তাই ওই দিনই হবে।’’
মমতা বলেন, ‘‘যে হেতু সময় কম, তাই অনলাইনে আবেদনপত্র জমা নেওয়া হবে না। কে পাঠাবে না পাঠাবে, রিভিউ করতে সময় লাগবে। ফলে বঞ্চিত হয়ে পড়তে পারেন। আমরা তা চাই না। কষ্ট করে এসে দরখাস্ত করে যাবেন। আমাদের কাছে লক্ষ্মীর ভান্ডার-সহ সব প্রকল্পের তালিকা রয়েছে। এটাই বলার ছিল।’’
১৫ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি চলবে শিবির। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে শিবির। ছুটির দিনে বন্ধ থাকবে। সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেওয়া হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, যাঁরা আবেদন জমা করবেন, তাঁরা রসিদ পাবেন। আবেদন ডিজিটাইজ়ও করা হবে।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘আবেদন জমা নিতে হবে ভাতা দিতে গেলে। কাগজে বিজ্ঞাপন দেব। ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে ২৯৪টি শিবির তৈরি করব। দুয়ারে সরকারের মতো। প্রত্যেক শিবিরে তিনটি বিভাগ থাকবে। যুবসাথীদের সুবিধা দেওয়ার জন্য যুব এবং ক্রীড়া বিভাগ থাকবে। ভূমিহীন ক্ষেতমজুরদের জন্য বছরে দু’বার ২০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। তাঁদের জন্য কৃষি বিভাগ থাকবে। সেই সঙ্গে মাইনর ইরিগেশন এবং পাওয়ার বিভাগ থাকবে।’’
মমতা বলেন, ‘‘আগে বলা হয়েছিল ১৫ অগস্ট থেকে এই যুবসাথী ভাতা প্রকল্প শুরু হবে। ১ এপ্রিল থেকেই শুরু করছি। কারণ, নতুন অর্থবর্ষ ওই দিন থেকেই শুরু।’’
প্রকল্পের অধীনে আগামী পাঁচ বছর মাসে মাসে দেড় হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন যুবকেরা।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, বৃত্তি ছাড়া অন্য কোনও প্রকল্পের সুবিধা পেলে মিলবে না ভাতা। মুখ্যমন্ত্রী জানান, ঐক্যশ্রী, মেধাশ্রী বা স্মার্টকার্ড পেলে এই ভাতা পাওয়া যাবে। যত দিন চাকরি পাবেন না, তত দিন তাঁরা ভাতা পাবেন।
মমতা বলেন, ‘‘বাজেট হয়ে গিয়েছে। বাজেটে ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু কবে থেকে প্রকল্পের সুবিধা পাবেন, তা জানানো হয়নি।’’ তিনি জানান, মাধ্যমিক পাশ করা তরুণের পাবেন যুবসাথীর সুবিধা। ২১ থেকে ৪০ বছর পর্যন্ত যাঁদের বয়স, তাঁরাই এই ভাতা পাবেন। ১ এপ্রিল থেকে দশম শ্রেণি পাশ তরুণেরা পাবেন যুবসাথী ভাতা। মাসে মাসে ১৫০০ টাকা করে ভাতা পাবেন তাঁরা।