ডিপিএলে লাভ চান মমতা, বৈঠক কাল

আর্থিক সঙ্কটে জর্জরিত ডিপিএল (দুর্গাপুর প্রোজেক্টস লিমিটেড)-এর পুনরুজ্জীবনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। আধুনিকীকরণের মাধ্যমে কী ভাবে ডিপিএল-কে লাভজনক সংস্থায় পরিণত করা যায়, তার রূপরেখা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ জুন ২০১৬ ০৮:৩২
Share:

আর্থিক সঙ্কটে জর্জরিত ডিপিএল (দুর্গাপুর প্রোজেক্টস লিমিটেড)-এর পুনরুজ্জীবনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। আধুনিকীকরণের মাধ্যমে কী ভাবে ডিপিএল-কে লাভজনক সংস্থায় পরিণত করা যায়, তার রূপরেখা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement

সেই সূত্রেই কাল, সোমবার ডিপিএল কতৃর্পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করতে দুর্গাপুর যাচ্ছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

নবান্ন সূত্রে খবর, ডিপিএল-কে চাঙ্গা করার ভাবনা অনেক দিন থেকেই চলছে। কিন্তু সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও নানা জটিলতার কারণে সেই কাজ এখনও শুরু করা যায়নি। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, যত দ্রুত সম্ভব ডিপিএল-এর আধুনিকীকরণ করতে হবে। সেই নির্দেশ পেয়েই নবান্নে বৈঠকে বসেন বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটক ও শিল্পমন্ত্রী অমিত মিত্র। ওই বৈঠকেই সিদ্ধান্ত হয়, আলোচনার মাধ্যমে আধুনিকীকরণের পদক্ষেপগুলি ধাপে ধাপে ঠিক করা হবে। কোনও কর্মী ছাঁটাই না করে কোন পথে সংস্থাটিকে চাঙ্গা করা যায়, তারই রূপরেখা তৈরি করা হবে। বিদ্যুৎমন্ত্রী পরে বলেন, ‘‘ডিপএল-এর উৎপাদিত বিদ্যুৎ দুর্গাপুর-আসানসোলে প্রয়োজন হয়। দীর্ঘদিন ধরেই সংস্থাটি নানা সমস্যার মধ্যে রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, যেমন করে হোক ডিপিএল-কে দ্রুত চাঙ্গা করে তুলতে হবে।’’

Advertisement

বিভিন্ন সূত্রে খবর, সংস্থাটি চালাতে গিয়ে গত কয়েক বছরে ডিপিএল-এর লোকসানের বহর দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা। এ ছাড়া নতুন দু’টি ইউনিট গড়তে গিয়ে বিশাল অঙ্কের ঋণ নিতে হয়েছে বাজার থেকে। সে টাকাও সুদে-আসলে শোধ করতে হচ্ছে। রয়েছে অতিরিক্ত কর্মীর বোঝাও। সব মিলিয়ে রাজ্যের অন্যতম বিদ্যুৎ উৎপাদক সংস্থাটি এখন ধুঁকছে। এ অবস্থা থকে সংস্থাটিকে কী ভাবে বার করে আনা যায়, শুরু হয়েছে সেই চেষ্টা।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement