Bengal Silicon Valley

নিউটাউনের বেঙ্গল সিলিকন ভ্যালিতে গড়ে উঠছে মেগা আইটি ক্যাম্পাস, হবে ২০০০ কোটির বিনিয়োগ, জানালেন মন্ত্রী বাবুল

নির্মাণের গতি এবং অগ্রগতির ভিত্তিতে প্রথম পর্যায়ের কাজ ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রথম দু’টি টাওয়ার চালু হলে প্রায় ৭০০০ আইটি পেশাদারের কর্মসংস্থান হবে বলে সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:২৫
Share:

‘বেঙ্গল সিলিকন ভ্যালি’তে প্রস্তাবিত আইটি পার্ক গড়ে উঠবে এই ধাঁচে । ছবি: সংগৃহীত।

নিউটাউনে কলকাতার ‘বেঙ্গল সিলিকন ভ্যালি’ আইটি হাবে দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে ‘এলআইটি মাইন্ডট্রি’র আইটি ক্যাম্পাস প্রকল্প। আগে ‘এল অ্যান্ড টি ইনফোটেক’ নামে পরিচিত সংস্থাটি মাইন্ডট্রির সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার পর নতুন পরিচয়ে ‘এলআইটি মাইন্ডট্রি’ হিসেবে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। রাজ্য সরকারের তরফে সংস্থাটিকে বেঙ্গল সিলিকন ভ্যালি আইটি হাবে ১৮.৯ একর জমি বরাদ্দ করা হয়েছে। এই প্রকল্পে বিনিয়োগ হবে ২০০০ কোটি টাকা, এমনটাই জানিয়েছেন রাজ্যের তথ্য ও প্রযুক্তি দফতরের মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়।

Advertisement

এই প্রকল্পে ধাপে ধাপে মোট ছ’টি আধুনিক অফিস টাওয়ার নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। সম্পূর্ণ ক্যাম্পাস গড়ে উঠলে প্রায় ৩.৭ লক্ষ বর্গফুট ‘বিল্ট-আপ এরিয়া’ তৈরি হবে বলে জানানো হয়েছে। প্রকল্পে আনুমানিক বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ২০০০ কোটি টাকা, যা রাজ্যের আইটি পরিকাঠামো ও অর্থনৈতিক বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করছেন তথ্য প্রযুক্তি দফতরের আধিকারিকেরা। প্রকল্পের প্রথম ধাপে দু’টি টাওয়ার নির্মাণ করা হচ্ছে। নির্মাণের গতি এবং অগ্রগতির ভিত্তিতে প্রথম পর্যায়ের কাজ ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রথম দু’টি টাওয়ার চালু হলে প্রায় ৭০০০ আইটি পেশাদারের কর্মসংস্থান হবে বলে সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে।

দ্বিতীয় ধাপে আরও দু’টি টাওয়ার নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে, যার কাজ খুব শীঘ্রই শুরু হওয়ার কথা। এই ধাপের কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা ২০২৭ সালের এপ্রিল মাস। সম্পূর্ণ ক্যাম্পাস তৈরি হয়ে গেলে প্রায় ২৫ হাজার আইটি পেশাদার এখানে কাজ করার সুযোগ পাবেন। ফলে বেঙ্গল সিলিকন ভ্যালি আইটি হাব রাজ্যের অন্যতম বড় প্রযুক্তি ও কর্মসংস্থান কেন্দ্র হিসেবে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে। প্রকল্পের নকশায় আধুনিক ও টেকসই ক্যাম্পাস ডিজাইনের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিস্তীর্ণ ‘ল্যান্ডস্কেপড ওপেন স্পেস’, সবুজ পরিবেশ এবং কাচে মোড়া আধুনিক অফিস টাওয়ার এই ক্যাম্পাসের বৈশিষ্ট্য।

Advertisement

তথ্য ও প্রযুক্তি দফতরের মতে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নিউটাউন এবং সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের আইটি শিল্পে নতুন গতি আসবে এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে এক উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement