বিডিও-র হস্তক্ষেপে চালু হল মিড ডে মিল। দোকানের মালিক রান্নার জিনিসের দাম বেশি নিচ্ছেন, অজুহাতে চলতি মাসের গোড়া থেকেই মিড ডে মিল বন্ধ করে দেন চন্দ্রকোনার কামারগেড়িয়া প্রাথমিক স্কুল কর্তৃপক্ষ। হঠাৎ রান্না বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সমস্যায় পড়ে পড়ুয়ারা।
দু’সপ্তাহ পরেও মিড-ডে মিল চালু না হওয়ায় বিডিও-র কাছে নালিশ জানান বাসিন্দা। তাঁদের অভিযোগ, স্কুল কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতেই এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। অন্য কোনও দোকান থেকে তেল মশলা কিনলেই মিড-ডি মিল বন্ধ করতে হয় না।
চন্দ্রকোনা-১ বিডিও সুরজিৎ ভড় বলেন, “বিষয়টি জানতে পেরেই কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করি। অবিলম্বে প্রকল্প চালু করার নির্দেশও দিয়েছি। শুরু হয়েছে তদন্তও।” স্কুলের প্রধান শিক্ষক জগদীশ ঘোড়ুই বলেন, “শুক্রবার থেকেই ফের রান্না শুরু হয়েছে। মুদি দোকানের মালিক জিনিসের দাম বেশি নিচ্ছিলেন। তাই কিছুদিন রান্না বন্ধ ছিল।”
অবশ্য রাজনীতির প্রশ্ন তুলছেন অভিযুক্ত দোকান মালিক সুকুমার ঘোষ। তিনি বলেন, “আমি ন্যায্য দামই নিয়ে থাকি। রাজনীতির কারণেই আমার দোকান থেকে তেল মশলা নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে স্কুল।” এমনকী এক ধাপ এগিয়ে তাঁর দাবি, তিনি পঞ্চায়েত-সহ বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজে দুর্নীতির প্রতিবাদ করেছেন নানা সময়। তাই স্থানীয় শাসক নেতাদের একাংশের নির্দেশেই স্কুল কর্তপক্ষ আচমকাই এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। এ বিষয়ে তৃণমূল নেতাদের কোনও বক্তব্য অবশ্য পাওয়া যায়নি। কামারগেড়িয়া বুথের তৃণমূল সভাপতি ও চন্দ্রকোনা-১ পঞ্চায়েত সমিতির শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ দিলীপ মান্না বলেন, ‘‘সুকুমারবাবু আমাদের কাছে এসে বলুন কী দুর্নীতি, কোথায় হয়েছে। তাহলে আমরা ব্যবস্থা নেব।’’