টুকরো খবর

চৈতন্যপুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনল বিরোধী কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট সদস্যরা। আগামী ১৯ ডিসেম্বর ওই অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে তলবি সভা ডেকেছেন বিডিও। অভিযোগ, প্রধানের বিরুদ্ধে আনা প্রস্তাব নিয়ে সভায় উপস্থিত না হওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হচ্ছে। পঞ্চায়েত অফিসে যাওয়ার জন্য নিরাপত্তা চেয়ে সোমবার পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসকের কাছে আবেদন করেছেন গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬ জন পঞ্চায়েত সদস্য।

Advertisement
শেষ আপডেট: ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ ০০:০৫
Share:

তৃণমূল প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা, হুমকির নালিশ

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা • তমলুক

চৈতন্যপুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনল বিরোধী কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট সদস্যরা। আগামী ১৯ ডিসেম্বর ওই অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে তলবি সভা ডেকেছেন বিডিও। অভিযোগ, প্রধানের বিরুদ্ধে আনা প্রস্তাব নিয়ে সভায় উপস্থিত না হওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হচ্ছে। পঞ্চায়েত অফিসে যাওয়ার জন্য নিরাপত্তা চেয়ে সোমবার পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসকের কাছে আবেদন করেছেন গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬ জন পঞ্চায়েত সদস্য। ১২ সদস্য বিশিষ্ট ওই গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূলের ৫ জন সদস্য রয়েছেন। বিরোধী কংগ্রেসের ৫ জন ও বামফ্রন্টের ২ জন মিলিয়ে মোট ৭ জন সদস্য রয়েছেন। কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্য ভক্তিভূষণ ঘোড়াইয়ের অভিযোগ, “প্রধানের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে সভায় না যাওয়ার জন্য দলের সদস্যদের ৃহুমকি দেওয়া হচ্ছে। সভার দিন আমরা যাতে অফিসে ঢুকতে না পারি সেজন্য তৃণমূল চেষ্টা করছে।” যদিও পাঁশকুড়া ব্লক তৃণমূল সভাপতি দীপ্তিকুমার জানা বলেন, “বিরোধী দলের সদস্যদের হুমকি দেওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে ওই গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান দলের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক রাখেন না। তাই এ বিষয়ে আমি মন্তব্য করব না।” প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক মনোজ চক্রবর্তী সভার দিনে পুলিশি নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে বুধবার রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব বাসুদেব বন্দ্যোপাধ্যায় চিঠি দিয়েছেন। অন্য দিকে, দলেরই পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব ঘিরে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে তৃণমূল উপপ্রধানকে অপরহণের অভিযোগ নন্দীগ্রামের সামসাবাদে। বুধবার বিকেলে সবিতা মণ্ডল নামে ওই মহিলাকে অপহরণ করা হয় বলে অভিযোগ জানান তাঁর স্বামী। ১৩ সদস্যের ওই পঞ্চায়েত প্রধান অতনু জানার বিরুদ্ধে উপপ্রধান-সহ ৭জন পঞ্চায়েত সদস্য বিডিও-র কাছে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেন। আগামী ২৬ ডিসেম্বর এ বিষয়ে সভা ডাকা হয়েছে। তার আগেই এ দিন ওই পঞ্চায়েতের উপপ্রধানকে অপহরণ করা হয় বলে অভিযোগ। নন্দীগ্রাম থানায় অভিযোগ জানানোর পরই পুলিশ তল্লাশি শুরু করে ওই মহিলার।

Advertisement

গ্রাহক সেজে ব্যাঙ্কে লুঠ

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা • খড়্গপুর

ভরদুপুরে চিত্রনাট্যের কায়দায় সরকারি ব্যাঙ্কে ঢুকে লক্ষাধিক টাকা ডাকাতি করে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা। বুধবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে মোহনপুর ব্লকের বৈতার বঙ্গীয় গ্রামীণ বিকাশ ব্যাঙ্কে। এ দিন দুষ্কৃতীরা প্রায় ১১ লক্ষ টাকা হাতিয়ে পালিয়েছে বলে ব্যাঙ্ক সূত্রে জানা গিয়েছে। ঘটনায় ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে অভিযোগ জানানোর পরে কড়া সতর্কতা জারি করেছে পুলিশ। ওড়িশা ঘেঁষা ওই ব্লক থেকে দুষ্কৃতীরা যাতে পালিয়ে যেতে না পারে সে জন্য ওড়িশা পুলিশকেও খবর দেওয়া হয়েছে। এমন ঘটনার জেরে এলাকার আতঙ্কিত বাসিন্দারা পুলিশি সক্রিয়তার দাবি তুলেছেন। স্থানীয় ও ব্যাঙ্ক সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার বেলা একটা নাগাদ বৈতার ওই ব্যাঙ্কে গ্রাহকদের ভিড় ছিল ভালই। ওই সময় গ্রাহক সেজে ব্যাঙ্কে ঢুকে পড়ে চার দুষ্কৃতী। তিনজনকে ভিতরে রেখে একজন ব্যাঙ্কের মূল গেটের সামনে চলে যায়। কাউন্টারে থাকা এক গ্রাহকের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে রাখে আর এক দুষ্কৃতী। ব্যাঙ্ককর্মীদের অভিযোগ, বাকি দু’জন দুষ্কৃতীই গোটা অপারেশন চালায়। এক দুষ্কৃতী কোষাধ্যক্ষ তন্ময় সরকারের থেকে টাকা নিয়ে নেন। অন্য এক জন আর এক ব্যাঙ্ক কর্মীকে মাথা নিচু করে বসে থাকতে বলেন। এর পর ভল্টের চাবি নিয়ে ভল্ট থেকেও টাকা নিয়ে নিয়ে দু’টি মোটরসাইকেলে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। ব্যাঙ্কের জেনারেল ম্যানেজার স্বপন পাহাড়ি বলেন, “আমাদের ব্যাঙ্কে এমনিতেই কর্মীর সংখ্যা কম। তাই দুষ্কৃতীরা সহজেই এমন করতে পারল। ওরা হিন্দিতে কথা বলছিল। তবে মুখে কাপড় বাঁধা থাকায় আমরা কারও মুখ দেখতে পাইনি।”স্থানীয় গ্রাহকদের থেকে জানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মতো এ দিনও ব্যাঙ্কে ছিল না কোনও পুলিশ বা বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষী। ফলে খুব সহজেই ওই দুষ্কৃতীরা ডাকাতি করতে পেরেছে বলে দাবি বাসিন্দাদের। এমনকী ওই ঘটনার সময় গ্রাহক ও কর্মীদের প্রত্যেকের মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

হুঁশিয়ারি খাদ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব সংবাদদাতা • ঝাড়গ্রাম

বেলপাহাড়ি ব্লক অফিসে খাদ্যমন্ত্রী।

অভাবী ধান বিক্রিতে চাষিদের যাঁরা প্ররোচিত করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। বুধবার জঙ্গলমহলে একাধিক শিবির করে সরকারি ভাবে ধান কেনার সূচনা করেন খাদ্যমন্ত্রী। প্রথমে বেলপাহাড়ি তারপর শিলদা ও শেষে লালগড় এই তিন জায়গায় সরকারি ধান কেনার শিবিরে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “অভাবী বিক্রি কোথাও করা যাবে না, এটা রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত। যদি কোথাও কেউ অভাবী বিক্রি করার জন্য চাষিদের প্ররোচিত করেন, আমাদের কাছে খবর এলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হবে।” এ দিন সকালে সরকারি ধান কেনার অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে আমলাশোল গ্রাম পরিদর্শনে যান জ্যোতিপ্রিয়বাবু। খাদ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, জঙ্গলমহলের ক্ষেত্রে রেশন ব্যবস্থার নিয়ম কানুন কিছুটা শিথিল করা হয়েছে। সাধারণত, একজন ডিলারের অধীনে পাঁচ হাজার রেশন কার্ড থাকে। কিন্তু আমলাশোলে ৫৬২ জনের ক্ষেত্রে একজন রেশন ডিলার রয়েছেন। আমলাশোল ও কাঁকড়াঝোরের ডিলারদের কমিশন বাড়িয়ে দেওয়া হবে। জঙ্গলমহলের যে সব জায়গায় পাঁচশো-সাতশো রেশন কার্ড রয়েছে, সেখানে এক জন করে রেশন ডিলার থাকবেন। এলাকার মানুষ যাতে নাগালের মধ্যে রেশন দোকান পান, সে জন্যই এই ব্যবস্থা।”

মিউটেশন বন্ধের আবেদন পাট্টাপ্রাপকদের

নিজস্ব সংবাদদাতা • মেদিনীপুর

জিন্দলদের ইস্পাত প্রকল্পের জন্য নেওয়া পাট্টাদারদের সব জমির নামপত্তনের (মিউটেশন) কাজ এখনও শেষ হয়নি। সেই কাজ স্থগিত রাখতে আবেদন জানালেন পাট্টা প্রাপকেরা। বুধবার শালবনি ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের অফিসে গিয়ে শম্ভু সরেন, লক্ষ্মীকান্ত রানা, রঞ্জন চালক-সহ বেশ কয়েকজন পাট্টা প্রাপক এই আবেদন জানন। তাঁদের বক্তব্য, “কারখানা নিয়ে স্পষ্ট কোনও বার্তা আমাদের কাছে নেই। যতদিন না আমাদের কাছে কোনও স্পষ্ট বার্তা আসছে, ততদিন মিউটেশনের কাজ বন্ধ রাখা হোক।” জেলা ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক অরিন্দম দত্ত বলেন, “কয়েকজন এসে মিউটেশন স্থগিত রাখার আবেদন জানিয়েছেন। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এ দিনও কারখানার সামনে ধর্নায় বসেছিলেন জমিদাতারা। জমিদাতা সংগঠনের সম্পাদক পরিষ্কার মাহাতো বলেন, “কারখানা কর্তৃপক্ষ বা সরকার আমাদের কাছে সরাসরি বার্তা না পাঠানো পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।” শালবনিতে প্রস্তাবিত ইস্পাত প্রকল্পের কাজ স্থগিত হয়ে গিয়েছে। প্রকল্প এলাকার যে ২৯৪ একর জমি জিন্দলরা সরাসরি জমিদাতাদের থেকে কিনেছিল, সেই জমি সম্প্রতি তারা ফেরাতে চেয়েছে। পাট্টা প্রাপকদের জমি অবশ্য এর বাইরে।

পাশের দাবি, শিক্ষক ঘেরাও পড়ুয়াদের

নিজস্ব সংবাদদাতা • এগরা

পাশ করানোর দাবিতে শিক্ষকদের ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখানোর অভিযোগ উঠল দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রী ও তাদের অভিভাবকদের বিরুদ্ধে। বুধবার সকালে পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর-১ ব্লকের ভগবানপুর হাইস্কুলে শিক্ষকদের ঘিরে তারা অশালীন মন্তব্য করতে থাকেন বলে অভিযোগ। এ দিন সকাল ১১টা নাগাদ স্কুলে লাঠি ও কাঠ নিয়ে চড়াও হয়ে শিক্ষকদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করে পড়ুয়া ও তাদের অভিভাবকেরা। এ দিন বিকেলে স্কুল কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে আলোচনার আশ্বাস দিলে পড়ুয়ারা ফিরে যায়। গত ১১ ডিসেম্বর স্কুলের মাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, ১৫ জন ছাত্রছাত্রী অকৃতকার্য হয়েছে। ১৬ ডিসেম্বর উচ্চ মাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষাতেও অকৃতকার্য হয় পাঁচ জন। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, অকৃতকার্য পড়ুয়াদের কেউ কেউ পরীক্ষায় নকল করতে গিয়ে ধরা পড়ায় তাঁদের খাতা বাতিল করা হয়েছে। আর কয়েকজন একাধিক বিষয়ে ফেল করায় তাদের উত্তীর্ণ করা হয়নি। স্কুল পরিচালন সমিতির সম্পাদক সফিউল্লা মল্লিক বলেন, “অনেক চিন্তা করেই ওই পড়ুয়াদের পাশ না করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে ওই ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকেরা আবেদন করলে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে দেখা হবে।”

প্রতিষ্ঠা দিবস পালন পূর্বে

নিজস্ব সংবাদদাতা • তমলুক

তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের প্রতিষ্ঠা দিবস পালিত হল পূর্ব মেদিনীপুরে। বুধবার সকালে তাম্রলিপ্ত জনকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের ৭৩ তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন উপলক্ষে দু’দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের সূচনা করেন তমলুকের সাংসদ শুভেন্দু অধিকারী। ছিলেন ময়নার বিধায়ক ভূষণচন্দ্র দোলই, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ সোমনাথ বেরা, নন্দকুমার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুকুমার বেরা প্রমুখ। ব্যারাকপুরের ‘নেতাজী সুভাষ মিশন’ সংগঠনের তরফে ‘মেদিনীপুর পরিক্রমা’ কর্মসূচিতে যোগদানকারী দলের প্রায় ৮০ জন সদস্য অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন।

দুর্ঘটনায় মৃত্যু ছাত্রের

নিজস্ব সংবাদদাতা • ঝাড়গ্রাম

পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল মোটরবাইক আরোহী এক কলেজ ছাত্রের। বুধবার পুরনো ঝাড়গ্রাম এলাকায় ৫ নম্বর রাজ্য সড়কের এই দুর্ঘটনায় মৃতের নাম হরেন মাহাতো (১৯)। ঝাড়গ্রাম রাজ কলেজের বাণিজ্য শাখার দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র হরেনের বাড়ি জামবনির বালিজুড়ি গ্রামে। পড়াশুনার জন্য তিনি ঝাড়গ্রামের টেঙিয়া গ্রামে আত্মীয়ের বাড়িতে থাকতেন। এ দিন বাইক চালিয়ে তিনি পুরনো ঝাড়গ্রামের দিক থেকে সেটেলমেন্ট মোড়ের দিকে যাচ্ছিলেন। আচমকা উল্টোদিক থেকে আসা আর একটি মোটরবাইকের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে যান হরেন।

মৃত স্বাধীনতা সংগ্রামী

নিজস্ব সংবাদদাতা • কাঁথি

মারা গেলেন খেজুরির বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী বাণিকন্ঠ মিশ্র। বুধবার দুপুরে কলাগেছিয়া গ্রামে বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃতুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৭ বছর। রেখে গিয়েছেন স্ত্রী ও ছেলে ও মেয়েকে।

রাহুলের সভা নিয়ে এসপি-র সঙ্গে কথা

আগামী ২৪ ডিসেম্বর মেদিনীপুরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি রাহুল সিংহের সভা রয়েছে। তারই প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার রাতে পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ভারতী ঘোষের সঙ্গে দেখা করলেন বিজেপির জেলা সভাপতি তুষার মুখোপাধ্যায়। এই প্রথম। দলীয় সূত্রে খবর, সভার অনুমতি চেয়ে সপ্তাহ খানেক আগেই পুলিশের কাছে আবেদন করেছিলেন বিজেপি নেতৃত্ব। তারপরই তুষারবাবুকে ডেকে পাঠান পুলিশ সুপার। পুলিশ এবং বিজেপি দু’তরফই অবশ্য একে সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে দেখছে। তুষারবাবুর কথায়, “রাহুলদার সভার জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি চেয়েছিলাম। উনি (পুলিশ সুপার) ডেকে পাঠিয়েছিলেন। তাই গিয়ে দেখা করেছি। যা যা জানতে চেয়েছেন, জানিয়েছি। আশা করি, এ বার সভা করার অনুমতি দেওয়া হবে।” গত অগস্টে মেদিনীপুরে রাহুল সিংহের সভার অনুমতি দেওয়া নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বিরোধ বাধে বিজেপির। পুলিশ অনুমতি না দেওয়ায় রাহুলের সভাও হয়নি। পুলিশ-বিজেপির এই টানাপড়েন পৌঁছয় আদালতেও। তারপর ২৪ ডিসেম্বর রাহুলের সভার দিন ধার্য হয়েছে।

বিজেপি কর্মীকে মারধর

বাড়িতে ফেরার পথে এক বিজেপি কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে মোহনপুর ব্লকের রাজনগর গ্রামে। মৃত্যুঞ্জয় প্রধান নামে ওই বিজেপি কর্মী মোহনপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করান। বুধবার সকালে তৃণমূলের ১০জনের নামে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। মৃত্যুঞ্জয়বাবু জানান, মঙ্গলবার রাতে জীবন শতপথীর বাড়িতে বুথ কমিটির বৈঠক সেরে সাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। তখনই তাঁকে মারধর করা হয়। মৃত্যুঞ্জয়বাবুর কথায়, “লোকসভা ভোটের সময় থেকে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি করছি। কিন্তু তৃণমূলের বক্তব্য বিরোধী রাজনৈতিক দল করা যাবে না। তাই রাস্তায় একা পেয়ে তৃণমূলের দীপক প্রধান, বাসু গিরি, বাদল প্রধানেরা মারধর করে। ”দীপক ও বাদল প্রধান মৃত্যুঞ্জয়বাবুর খুড়তুতো ভাই। সম্প্রতি পারিবারিক সম্পর্কে অবনতি হওয়ায় রাজনৈতিক মতবিরোধ বাড়ে। ব্লকের তৃণমূল সভাপতি প্রদীপ পাত্র বলেন, “এই ঘটনা একেবারে পারিবারিক বলে শুনেছি। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই।”

পাকিস্তানে জঙ্গি হানায় নিহত শিশুদের স্মরণ মেদিনীপুর শহরের মির্জা মহল্লায়। ছবি: সৌমেশ্বর মণ্ডল।

কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় ২-এর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement