পুষ্টির খোঁজ দিতে শিবির

ঘুগনি, পাপড়ি চাট, দই বড়া থেকে ডিমের কাবাব, মালাই বরফি থেকে চিকেন তন্দুরি, খাদ্য রসিকের জিভে জল আনার জন্য নামগুলি যথেষ্ট। পরের প্রশ্ন, এই সব খাবার পাওয়া যাবে কোথায়। কোনও খাদ্য মেলা নয়, গোয়ালতোড় সাঁওতাল বিদ্রোহ সার্ধশতবর্ষ কলেজের নিউট্রিশন-এর ছাত্রীদের এমন সব খাবার রেঁধে ও খাইয়ে মঙ্গলবার দিনভর কাটল।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:৪৭
Share:

গোয়ালতোড় সাঁওতাল বিদ্রোহ সার্ধশতবর্ষ কলেজে শিবির।

ঘুগনি, পাপড়ি চাট, দই বড়া থেকে ডিমের কাবাব, মালাই বরফি থেকে চিকেন তন্দুরি, খাদ্য রসিকের জিভে জল আনার জন্য নামগুলি যথেষ্ট। পরের প্রশ্ন, এই সব খাবার পাওয়া যাবে কোথায়। কোনও খাদ্য মেলা নয়, গোয়ালতোড় সাঁওতাল বিদ্রোহ সার্ধশতবর্ষ কলেজের নিউট্রিশন-এর ছাত্রীদের এমন সব খাবার রেঁধে ও খাইয়ে মঙ্গলবার দিনভর কাটল।

Advertisement

গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে বিশ্ব পুষ্টি সপ্তাহ। সেই উপলক্ষেই এই আয়োজন বলে জানা গিয়েছে। মানুষকে সুস্থ থাকতে হলে, দিনের খাদ্য তালিকায় কী রাখা উচিত, সেটা জানাতেই মুখরোচক ও পুষ্টিকর খাবার তৈরি করে সকলকে খাওয়ানোর এই আয়োজন বলে কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে। শুধু খাওয়ানোই নয়, কলেজের সমস্ত বিভাগের ছাত্র-শিক্ষকদের ‘কী খাবেন, কী খাবেন না’ সেই পরামর্শও দিলেন নিউট্রিশন বিভাগের পড়ুয়ারা। সুস্থ থাকতে কার জন্য কী খাবার উপযুক্ত, কতটা খেতে হবে, সে বিষয়ে সকলকে জানাতে লাগানো হয় পোস্টার। উচ্চতা মাফিক শরীরের গঠন কি না, রক্তচাপ কতটা, দেখা হল তাও। কলেজের অধ্যক্ষ দেবনারায়ণ রায় বলেন, “শরীর সুস্থ না থাকলে পড়াশোনাতেও যে মন দেওয়া যাবে না। পুষ্টি সপ্তাহ পালনের মাধ্যমে কলেজের ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের খাবার সম্বন্ধে সচেতন করা হল।’’ নিউট্রিশন বিভাগে প্রধান প্রিয়াঙ্কা নন্দী বলেন, “এ দিন যে সব খাবার মেনুতে ছিল, তা যেমন মুখরোচক তেমনই পুষ্টিকর। মুখরোচক মানেই তা খারাপ এমন নয়। দেখে নিতে হবে শরীরের গঠন অনুযায়ী কোন খাবার কতটা পরিমাণ খাওয়া উচিত।” এমন আয়োজনে খুশি কলেজের অন্য বিভাগের পড়ুয়ারা। কলেজের ইতিহাস শিক্ষক শিশির হাজরার কথায়, “অনেক সময় আমরা সব জেনেও পালন করি না। কিন্তু এই ধরনের উদ্যোগ পুষ্টির বিষয়টি মনে করিয়ে দিল।” নিজস্ব চিত্র।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement