Silda Incident

শিলদার ১৬ বছর! শহিদ স্মরণে ঝাড়গ্রামে ডিজি পাণ্ডে-সহ পুলিশের শীর্ষ কর্তারা, ২৪টি বৃক্ষের স্বাস্থ্যচর্চা

৬ বছর আগের ক্ষত এখনও বয়ে বেড়াচ্ছেন শহিদ অজয় থাপার স্ত্রী রীতা থাপার। তিনি বলেন, ‘‘সেদিন সকাল ১১টার সময় ওঁর সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল। সবই ঠিক ছিল।’’

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:১৪
Share:

শহিদদের স্মরণে রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ শীর্ষ কর্তারা। —নিজস্ব ছবি।

২০১০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি। ঝাড়গ্রামের বিনপুরের শিলদায় ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলায় ২৪ জন ইএফআর জওয়ানের মৃত্যু হয়েছিল। শিলদা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চত্বরে মাওবাদী মোকাবিলায় মোতায়েন করা ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদীদের গুলি, গ্রেনেড আর পেট্রোল বোমায় শহিদ হন ২৪ জন জওয়ান। রবিবার ওই ঘটনার ১৬ বছর পূর্ণ হল। শিলদাকাণ্ডের ষোড়শ বর্ষে শহিদদের শ্রদ্ধা জানাতে ঝাড়গ্রামে উপস্থিত হয়েছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি পীযূষ পাণ্ডে।

Advertisement

রবিবার শহিদদের স্মৃতি তর্পণের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। রাজ্য পুলিশের ডিজি ছাড়াও উচ্চপদস্থ অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকের পাশাপাশি ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক আকাঙ্ক্ষা ভাস্কর শ্রদ্ধা জানান শহিদদের। ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মানব সিংলা। ডিজি-সহ শহিদ জাওয়ানদের পরিবারের সদস্য এবং ইএফআর জওয়ানেরা শহিদ বেদিতে মাল্যদান করেন। ক্যাম্পের ভিতর ২৪ জন শহিদ জাওয়ানের স্মৃতিতে রোপন করা গাছে জল দেন তাঁরা। পরে শহিদদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন ডিজি এবং ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশ সুপার। পুলিশ পরিচালিত দিশা কোচিং সেন্টারে ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার সামগ্রী দেওয়া থেকে এলাকার দুঃস্থ মানুষদের হাতে নতুন বস্ত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। ডিজি পাণ্ডে বলেন, ‘‘এখন এই এলাকার যে উন্নয়ন হয়েছে, তার সঙ্গে ওই সময়ের তুলনাই চলে না। আমাদের সকলের একটিই লক্ষ্য— একই সঙ্গে মিলে এলাকাকে ভাল রাখা, মানুষের পাশে থাকা।’’ সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। সেই প্রসঙ্গে ডিজি বলেন, ‘‘আমাদের যা করণীয় তা তো আমরা করবই। পাশাপাশি এটাও নিশ্চিত করা হবে যে সাধারণ মানুষ যেন শান্তিতে ভোট দিতে পারেন।’’

১৬ বছর আগের ক্ষত এখনও বয়ে বেড়াচ্ছেন শহিদ অজয় থাপার স্ত্রী রীতা থাপার। তিনি বলেন, ‘‘সেদিন সকাল ১১টার সময় ওঁর সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল। সবই ঠিক ছিল। সন্ধ্যায় যখন খবরটা শুনলাম, নিজের কানকেই বিশ্বাস করতে পারিনি। উনি এই এলাকার শান্তিরক্ষার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। আজ দেখতে ভাল লাগছে যে, ওঁদেরর স্বপ্ন সার্থক হয়েছে। এলাকায় উন্নয়ন হয়েছে। মানুষ শান্তিতে রয়েছেন।’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement