Coronavirus

পাইলট নিভৃতবাসে, সংক্রমিতরা স্থিতিশীল

দুই সংক্রমিত যাত্রীর সংস্পর্শে আসা চার বিমানসেবিকা ও দুই পাইলটকে নিভৃতবাসে পাঠানো হচ্ছে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ জুন ২০২০ ০১:৩১
Share:

প্রতীকী ছবি।

করোনা পজ়িটিভ দুই ব্যক্তির বিমান-সফরের সূত্রে নিভৃতবাসে যাচ্ছেন দুই পাইলট এবং চার বিমান সেবিকা।

Advertisement

পূর্ব মেদিনীপুরের ন’জন বাসিন্দা চেন্নাইয়ের অদূরে চিঙ্গলপুটে একটি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। ওই সংস্থার এক কর্মী করোনা আক্রান্ত হওয়ায় পূর্ব মেদিনীপুরের দুই কর্মী বেসরকারিভাবে করোনা পরীক্ষা করিয়েছিলেন। গত ১৩ জুন তাঁদের করোনা পজ়িটিভ রিপোর্ট আসে। এর পরেই আক্রান্ত দু’জন-সহ ন’জন ১৪ জুন রাতে চেন্নাই থেকে বিমানে কলকাতা পৌঁছন। পরে দমদম বিমানবন্দর থেকে গাড়ি ভাড়া করে সোজা চলে যান পাঁশকুড়ার বড়মা করোনা হাসপাতালে।

ওই বেসরকারি বিমান সংস্থা সূত্রের খবর, ওই দুই সংক্রমিত যাত্রীর সংস্পর্শে আসা চার বিমানসেবিকা ও দুই পাইলটকে নিভৃতবাসে পাঠানো হচ্ছে। দুই যুবক যে সারির আসনে বসেছিলেন, সেই সারির ছ’জন যাত্রী ছাড়াও তাঁর সামনের এবং পিছনের তিনটি করে সারির আরও মোট ৩৬ যাত্রী সম্পর্কে তথ্য রাজ্য সরকারকে জানানো হয়েছে।

Advertisement

কলকাতা বিমানবন্দর সূত্রের খবর, রবিবার রাত ১০টায় ওই যুবকেরা চেন্নাই থেকে বিমানে উঠেছিলেন। তাঁদের শরীরে করোনা সংক্রমণের কোনও লক্ষণ ছিল না। কলকাতা বিমানবন্দরের এক কর্তা জানিয়েছেন, যদি তাঁদের শরীরে সামান্যতম চিহ্ন থাকত, তাহলে তাঁদের চেন্নাই বিমানবন্দরেই ঢুকতে দেওয়া হত না। কলকাতা বিমানবন্দর থেকে বেরনোর সময়ে তাঁদের যখন তাপমাত্রা মাপা হয়, তখনও তা ছিল স্বাভাবিক। নয়তো রবিবার রাতে বিমানবন্দর থেকে ওই যুবকদের রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীদের হাতে তুলে দেওয়া হত।

এদিকে, বড়মা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই দুই আক্রান্তের শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রথম করোনা পরীক্ষার দিন থেকে সাত দিন পর ফের তাঁদের লালারসের নমুনা পরীক্ষা করা হবে। বড়মা হাসপাতালের টেকনিক্যাল অফিসার দেবোপম হাজরা বলেন, ‘‘ওই দুই যুবক ভাল রয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী ওঁদের আবার করোনা পরীক্ষা করা হবে।’’

ওই যুবকদের সঙ্গে জেলায় ফেরা আরও সাত যুবকেও ইতিমধ্যে চিহ্নিত করা গিয়েছে বলে জানিয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা স্বাস্থ্য দফতর। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক নিতাইচন্দ্র মণ্ডল বলেন, ‘‘ওই সাতজন তমলুক, হলদিয়া, শহিদ মাতঙ্গিনী-সহ বিভিন্ন ব্লকের বাসিন্দা। সকলেই স্থানীয় নিভৃতবাস কেন্দ্রে রয়েছেন। সকলেরই লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement