Nipah Virus Awareness

নিপায় সচেতনতা প্রচার, বিকোচ্ছে কাঁচা খেজুর রসও

হলদিয়া মহকুমা খাদ্য নিরাপত্তা আধিকারিক ইন্দ্রনীল সরকার জানান, বিভিন্ন গুড়শালে প্রচার চালানো হচ্ছে।

আরিফ ইকবাল খান

শেষ আপডেট: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ০৮:৪৫
Share:

হলদিয়ার গুড়শাল। নিজস্ব চিত্র ।

রাজ্যে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটার পরেও কি কাঁচা খেজুরের রস খাওয়ার প্রবণতা কমেছে জেলায়? হলদিয়ার গুড়শালে শনিবার ঘুরে তেমনটা মনে হয়নি। বরং এক শিউলি জানালেন, রসের চাহিদা ভালই। তিনি মোবাইলে দেখেছেন, বাদুড় খেজুর রস খায়। তা থেকে ভাইরাস ছড়ায়। তিনি জানালেন, রস ছেঁকে দেন। ছাঁকনিতে ভাইরাস যে আটকায় না, সেই তথ্য জানা নেই শিউলির!

বাদুরের লালা, মল-মূত্র খেজুর রসে মিশলে সেই দূষিত রস থেকে নিপা ভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে।

হলদিয়া মহকুমা খাদ্য নিরাপত্তা আধিকারিক ইন্দ্রনীল সরকার জানান, বিভিন্ন গুড়শালে প্রচার চালানো হচ্ছে। মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে যে কাঁচা খেজুরের রস খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ গাড়ি নিয়ে গিয়ে রস পরীক্ষা করে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। পূর্ব মেদিনীপুরের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক বিভাস রায় বলেন, ‘‘নিপা ভাইরাস নিয়ে সতর্কতামূলক প্রচার চলছে। তবে মানুষকেও সচেতন হতে হবে। খাদ্য সুরক্ষা দফতরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে গুড়শালগুলিতে পরিদর্শন করে সতর্ক করার জন্য।’’

কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। হলদিয়ার বালুঘাটা, বনবিষ্ণুপুর, ক্ষুদিরাম নগর, কদমতলা, হাতিবেড়া-সহ একাধিক এলাকার গুড়শাল ঘুরে দেখা গেল, অধিকাংশ জায়গায় নিপা ভাইরাস সম্পর্কে ন্যূনতম ধারণা নেই। কদমতলার এক গুড়শালের সঙ্গে যুক্ত দীপক দাস বলেন, ‘‘নন্দীগ্রাম থেকে এসে দীর্ঘদিন এখানে কাজ করছেন। প্রতিদিন পাঁচ-সাত লিটার রস বিক্রি হয়। গ্লাস প্রতি ১০ টাকা দরে বিক্রি চলছে।’’ আরেক গুড়শালে বিজলী মণ্ডল জানান, সকালে অনেকেই টাটকা খেজুর রস খেতে আসেন। গ্লাস পিছু ১০-১৫ টাকা। নিপা ভাইরাস নিয়ে ক্রেতা বা পুরসভার কেউ কিছু জানাননি। হলদিয়া মহকুমাশাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাস বলেন, ‘‘বিভিন্ন ব্লকের বিডিওরা এখন নির্বাচনী সংশোধন কাজে ব্যস্ত থাকায় সচেতনতা প্রচারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে হলদিয়া পুরসভাকে। পুরসভা এই কাজ করছে। এখনও কিছু মানুষ সচেতন নন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন