—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
পশ্চিম মেদিনীপুরে এসআইআরে ‘বিবেচনাধীন’ ছিলেন ১,০৩,৪৯৭ জন। এর মধ্যে ৫২,২৭৭ জনের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে। অর্থাৎ, বিচারবিভাগীয় নিষ্পত্তিতে এঁরা ‘অযোগ্য’ বিবেচিত হয়েছেন। যাঁদের নাম ওঠেনি, তাঁরাই অনলাইন বা অফলাইনে ট্রাইবুনালে পুনর্বিবেচনার আবেদন জানাতে পেরেছেন।
পশ্চিম মেদিনীপুরে ভোট ২৩ এপ্রিল। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, ট্রাইবুনাল ছাড় দিলে সংশ্লিষ্ট ভোটার ভোট দিতে পারবেন। তালিকা চূড়ান্ত হবে ২১ এপ্রিল। তবে বাদ পড়া ভোটারদের মধ্যে কতজন সুফল পাবেন, তা নির্ভর করছে ট্রাইবুনালS কতজনের আবেদনে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবে, তার উপরেই।
কিন্তু এখনও পর্যন্ত কতজন সেই আবেদন জানিয়েছেন? সূত্রের খবর, প্রায় ৫২ হাজার নাম বাদ গেলেও অফলাইনে পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছেন প্রায় ২০ হাজার অর্থাৎ ৩৮ শতাংশ। জেলার এক নির্বাচন-আধিকারিক বলছেন, ‘‘যাঁরা ‘বিবেচনাধীন’ ছিলেন, শুধুমাত্র তাঁরাই ট্রাইবুনালে আবেদন করতে পারবেন। এখনও পর্যন্ত অফলাইনে আমাদের জেলায় প্রায় ২০ হাজার আবেদন এসেছে। অনলাইনে কত আবেদন এসেছে, বলা সম্ভব নয়। ওটা সরাসরি ট্রাইবুনালেই গিয়েছে।’’
একই লোক অনলাইন ও অফলাইনে আবেদন করেছেন, এমন নজিরও রয়েছে। আবেদনপত্র ডিজিটাইজড করার সময়ে বিষয়টি নজরে এসেছে। অফলাইনে আবেদন জানানো গিয়েছে জেলাশাসকের দফতরে বা মহকুমাশাসকের দফতরে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ, ভোটারদের ওই পুনর্বিবেচনার আবেদন সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের অনলাইনে নথিভুক্ত (ডিজিটাইজড) করতে হবে। আসল আবেদনপত্র সংরক্ষণও করতে হবে।
পশ্চিম মেদিনীপুরে প্রথমে ‘বিবেচনাধীন’ ছিলেন ১,০৩,৪৯৭ জন। এর মধ্যে ৫২,২৭৭ জনের নাম ভোটার তালিকায় বাদ গিয়েছে। অর্থাৎ ‘বিবেচনাধীন’ তালিকায় থাকা ৫০.৫১ শতাংশ নাম বাদ গিয়েছে। ভোটার তালিকায় রয়েছে বাকি ৪৯.৪৯ শতাংশ নাম। এসআইআরে এই জেলায় ভোটার তালিকা থেকে তিন পর্বে বাদ গিয়েছে ২,৭৩,৭০৪ জনের নাম। প্রথম দুই পর্বে বাদ গিয়েছিল ২,২১,৪২৭ জনের নাম। ‘বিবেচনাধীন’ তালিকাভুক্তের মধ্যে বাদ গিয়েছে ৫২,২৭৭ জনের নাম। প্রথম পর্বে বাদ গিয়েছিল ২,০৩,৩৪১ জনের নাম। দ্বিতীয় পর্বে বাদ গিয়েছিল ১৮,০৮৬ জনের নাম।
বাদ গিয়েছে প্রায় ৫২ হাজার নাম। অথচ সেই অনুপাতে ট্রাইবুনালে আবেদনকারী কমই। তৃণমূলের জেলা চেয়ারম্যান দীনেন রায়ের দাবি, ‘অনেকে অনলাইনে ট্রাইবুনালে আবেদন করেছে।’’ জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাসের পাল্টা, ‘‘যাদের নাম বাদ গিয়েছে, তাদের অনেকেই ভুয়ো ভোটার। নথিপত্র নেই বলেই তারা ট্রাইবুনালে যায়নি।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে