ডেঙ্গি চিত্র
তমলুক, নন্দকুমার, মহিষাদল, খেজুরির মোট ১৩ জন জ্বর নিয়ে জেলা হাসপাতালে ভর্তি।
এদের মধ্যে ৬ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত।
একজন ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগী সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
পুর-দাবি
নিকাশি নালা ও জলাশয়ে মশানাশক তেল ছড়ানো হচ্ছে।
বিভিন্ন ওয়ার্ডে আগাছা পরিষ্কারের কাজ চলছে।
ডেঙ্গি নিয়ে সচেতনতা মূলক প্রচার চালানো হচ্ছে।
সমস্যা কোথায়
তমলুক শহরের মানিকতলা, শঙ্করআড়া, শালগেছিয়া এলাকায় নিকাশিনালা পরিষ্কার হয় না।
আবর্জনা জমে থাকে। পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর।
হলদিয়া-মেচেদা রাজ্য সড়কের ধারে, পদুমাবসানে রাজ্য সড়কের ধারে, পার্বতীপুর এলাকায়, বড়বাজারে রাস্তার উপর জঞ্জাল জমে আছে।
১ তমলুক জেলা হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডের পাশের জঙ্গল মশার আঁতুড়ঘর। ২ তমলুক জেলা আদালত চত্বরের সামনে জমে রয়েছে জল।
৩ তমলুক জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকের দফতরের পিছনে আবর্জনার ভর্তি। ৪ শঙ্করআড়ায় নিকাশি নালা আবর্জনায় বদ্ধ ।
৫ লালদিঘির কাছে রাস্তায় বাতিল টায়ারের পাহাড় । ৬ শহরে পুরসভার পক্ষ থেকে ছড়ানো হচ্ছে স্প্রে।
পরিকাঠামোয় ঘাটতি
জেলা সদর তমলুক পুরসভার কাছে ৩টি মশা মারার ধোঁয়া ছড়ানোর কামান রয়েছে। দু’টি দীর্ঘদিন অকেজো। অন্য যন্ত্রটিকেও কাজে লাগানো হয়নি। মশা মারার তেল ছড়ানোর কাজও সবে শুরু হয়েছে। একটি কম্প্যাক্টর থাকলেও তা শহরের সর্বত্র কাজ করতে পারে না।
ত্রাহি রব হাসপাতালেও
জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন জ্বরে আক্রান্ত রোগীরা তমলুক হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। শহরের প্রায় ৫০টি নার্সিংহোমেও ভর্তি রয়েছেন অনেকে। তবে অ্যালাইজা টেস্টের জন্য একমাত্র ভরসা জেলা হাসপাতাল।