জেলা হাসপাতাল থেকে সদ্যোজাত বদলের নালিশ

সদ্যোজাত শিশু বদলের অভিযোগ উঠেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা হাসপাতালে। অভিযোগ ঘিরে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে জেলা হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত সুপারকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় প্রসূতির পরিবারের সদস্যরা। ক্ষোভের সময় জেলা হাসপাতালের এক চিকিৎসককে হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ ডিসেম্বর ২০১৫ ০০:৩৯
Share:

চতুর্থ শ্রেণির কর্মীকে ঘিরে বিক্ষোভ। নিজস্ব চিত্র।

সদ্যোজাত শিশু বদলের অভিযোগ উঠেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা হাসপাতালে। অভিযোগ ঘিরে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে জেলা হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত সুপারকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় প্রসূতির পরিবারের সদস্যরা। ক্ষোভের সময় জেলা হাসপাতালের এক চিকিৎসককে হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ। এছাড়াও শিশু বদলে জড়িত অভিযোগ তুলে জেলা হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির মহিলা কর্মীকে হেনস্থা করে একদল মহিলারা।

Advertisement

খবর পেয়ে তমলুক থানার পুলিশ বাহিনী যায়। শিশু বদলের অভিযোগের তদন্তের আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত সুপার ত্রিদিবেশ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘ওই প্রসূতির পরিবারের তরফে শিশু বদলের অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করা হবে। এ জন্য জেলা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে তদন্ত কমিটি গড়া হবে।’’

জেলা হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পায়রাচালি গ্রামের বাসিন্দা দিলীপ মাইতির স্ত্রী তাপসী মাইতি সন্তান প্রসবের জন্য শুক্রবার জেলা হাসপাতালে ভর্তি হন। তাপসীদেবীর স্বামী দিলীপবাবুর অভিযোগ, ‘‘চতুর্থ শ্রেণির এক মহিলা কর্মী ওই শিশুকে বের করে ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়ার সময় শাশুড়িকে জানায় যে ছেলে হয়েছে। এ জন্য ওই মহিলা কর্মী তাঁর কাছ থেকে ২০০ টাকাও নিয়েছে। পরে স্ত্রীর কোলে বাচ্চা বদল করে মেয়ে দেওয়া হয়।’’

Advertisement

প্রথমে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানাতে গেলে প্রথমে কোনও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে দিলীপবাবুর অভিযোগ। খবর পেয়ে পায়রাচালি-সহ স্থানীয় এলাকার কয়েকজন জেলা হাসপাতালে চিকিৎসক তপন খাটুয়া ও ভারপ্রাপ্ত সুপার ত্রিদিবেশ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। চতুর্থ শ্রেনীর কর্মী নির্মলা রাউতকে ঘিরে হাসপাতাল সুপারের সামনেই ব্যাপক হেনস্থা করা হয়। নির্মলাদেবী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘‘বলেছিলাম মেয়ে হয়েছে। এখন মিথ্যে অভিযোগ করছে।’’

জেলা হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত সুপার ত্রিদিবেশ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করা হবে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’ তমলুক থানার পুলিশের তরফে ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement