বাবার সঙ্গে বিহারের বাড়িতেই ফিরে গেলেন হলদিয়া ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্র অঙ্কিতকুমার সিংহ। মঙ্গলবার সকালে হাওড়া থেকে ট্রেনে চাপেন তিনি। জানুয়ারি মাসে কলেজের পরীক্ষায় বসবেন কি না তা নিয়ে অঙ্কিত কোনও কথা বলতে চাননি। রবিবার আদালতে গোপন জবানবন্দি দিতে গিয়েছিলেন অঙ্কিত। তারপর পুলিশ অঙ্কিতকে হস্টেলে নিয়ে গিয়ে সেদিনের ঘটনার বর্ণনাও দিতে বলে।
মঙ্গলবার প্রথম বর্ষের ছাত্র অঙ্কিতকে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধরের অভিযোগে ধৃত কলেজের পাঁচ পড়ুয়াকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। এ দিন সোমবার সকালে জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিজেপির পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধিদল সিপেট কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দেখা করেন। জয়ের কথায়, ‘‘বিষয়টি সংবেদনশীল। কলেজে সিআইএসএফ ( সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স)-এর কয়েক জন নিরাপত্তারক্ষী দেওয়া যায় কি না, সে বিষয়ে কেন্দ্রকে জানানো হবে।’’
এ দিন তমলুকে জেলা পুলিশ সুপারের সঙ্গে গিয়ে দেখা করেন সিপিট কলেজের অধ্যক্ষ-সহ তিন আধিকারিক। তাঁরা প্রায় মিনিট পনেরো পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বলেন। বৈঠক শেষে তাঁরা জানান, এটা ছিল নিতান্তই সৌজন্য সাক্ষাৎ। পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া বলেন, ‘‘হলদিয়ার ওই কলেজ নিয়ে তদন্ত যাতে যথাযথভাবে হয়, সেজন্য কলেজ কর্তৃপক্ষ অনুরোধ জানিয়েছেন।’’ অঙ্কিত এ দিন সকালেই শহর ছাড়েন।