প্রতারণার মামলায় চার্জগঠন পিছোল

পুরনো একটি আর্থিক প্রতারণার মামলায় এমপিএস কর্ণধার প্রমথনাথ মান্না-সহ অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন পিছিয়ে গেল। বেসরকারি অর্থলগ্নি সংস্থা ‘শতদল সেভিংস অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট (ইন্ডিয়া) লিমিটেড’-এর নামে আমানত সংগ্রহ করে প্রতারণার অভিযোগে এই মামলাটি দায়ের হয়েছিল ২০০৩ সালে। প্রমথনাথ বর্তমানে এমপিএস সংস্থার কণর্র্ধার হিসেবে অন্য প্রতারণার মামলায় অভিযুক্ত হিসেবে বাঁকুড়ায় জেল হেফাজতে রয়েছেন।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৮ নভেম্বর ২০১৪ ০১:৩৯
Share:

পুরনো একটি আর্থিক প্রতারণার মামলায় এমপিএস কর্ণধার প্রমথনাথ মান্না-সহ অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন পিছিয়ে গেল। বেসরকারি অর্থলগ্নি সংস্থা ‘শতদল সেভিংস অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট (ইন্ডিয়া) লিমিটেড’-এর নামে আমানত সংগ্রহ করে প্রতারণার অভিযোগে এই মামলাটি দায়ের হয়েছিল ২০০৩ সালে। প্রমথনাথ বর্তমানে এমপিএস সংস্থার কণর্র্ধার হিসেবে অন্য প্রতারণার মামলায় অভিযুক্ত হিসেবে বাঁকুড়ায় জেল হেফাজতে রয়েছেন।

Advertisement

শুক্রবার তমলুকের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সেকেন্ড কোর্ট) ঈশানী চট্টোপাধ্যায়ের এজলাসে পুরনো মামলায় চার্জগঠন সংক্রান্ত শুনানির জন্য অভিযুক্তদের আদালতে হাজিরার দিন ছিল। কিন্তু প্রমথনাথ বাঁকুড়ায় জেল হেফাজতে থাকায় হাজির হতে পারেননি বলে তাঁর আইনজবীবী আদালতে জানান। আরও এক অভিযুক্ত অনুপস্থিত ছিলেন। ফলে অন্য কয়েকজন অভিযুক্ত এলেও এ দিন চার্জগঠন হয়নি।

তমলুক আদালত সূত্রে খবর, প্রমথনাথ মান্না, বঙ্কিমচন্দ্র বাগ, সূর্যশেখর মাইতি-সহ কয়েকজন ১৯৮২ সাল নাগাদ পাঁশকুড়া স্টেশন বাজারে শতদল সেভিংস অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট (ইন্ডিয়া) লিমিটেড নামে একটি বেসরকারি অর্থলগ্নি সংস্থা খুলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আমানত সংগ্রহ করেছিলেন। ওই সংস্থা ১৯৯৭ সালে আচমকা বন্ধ হয়ে যায়। আমানতকারীরা টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়েন। ২০০৩ সালে কয়েকজন আমানতকারী ওই সংস্থার পরিচালমণ্ডলীর সদস্য প্রমথনাথ মান্না-সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে পাঁশকুড়া থানায় আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত করে প্রমথনাথ-সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে তমলুকে আদালতে চার্জশিট জমা দেয়।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement