বিজেপি নেতাকে মারধর, অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

বিজেপি নেতার বাড়িতে চড়াও হয়ে মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার রাতে খড়্গপুর ২ ব্লকের কালিয়ারা অঞ্চলের মেউদিপুরে ঘটনাটি ঘটে। বিজেপির অভিযোগ, এলাকার বুথ কমিটির সদস্য বিশ্বজিত ব্রহ্মের বাড়িতে তৃণমূল কর্মীরা চড়াও হয়ে ওই নেতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের মারধর করে। ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ পৌঁছয়।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ মার্চ ২০১৪ ০৪:০৬
Share:

বিজেপি নেতার বাড়িতে চড়াও হয়ে মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার রাতে খড়্গপুর ২ ব্লকের কালিয়ারা অঞ্চলের মেউদিপুরে ঘটনাটি ঘটে। বিজেপির অভিযোগ, এলাকার বুথ কমিটির সদস্য বিশ্বজিত ব্রহ্মের বাড়িতে তৃণমূল কর্মীরা চড়াও হয়ে ওই নেতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের মারধর করে। ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ পৌঁছয়। শুক্রবার সকালে বিজেপির ব্লক নেতা বিশ্বনাথ ঢল খড়্গপুর গ্রামীণ থানায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ দায়ের করেন।

Advertisement

বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনেও এই এলাকা থেকে বিজেপি প্রার্থী দেওয়ায় তৃণমূলের পক্ষ থেকে নানা ভাবে চাপ দেওয়া হয়েছিল। বিজেপি বৃহস্পতিবার ব্লকের মাদপুরে প্রার্থী মহম্মদ আলমকে নিয়ে প্রচার মিছিল করে। ওই মিছিলে কালিয়ারার বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা যোগ দেন। সন্ধ্যায় মিছিল শেষে বাড়ি ফেরার পথে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের বচসা হয়। পরে এ দিন রাতে কয়েকজন বিজেপি সমর্থক এলাকায় প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারের ফ্লেক্স লাগানোর কাজ করছিল। অভিযোগ, সেই সময় বিজেপি কর্মীরা অনুমতি ছাড়া মিটিং করছে বলে অভিযোগ তোলে তৃণমূল কর্মীরা। এরপর বিজেপি কর্মীরা বাড়ি ফিরে যায়। এরপরেই বুথ কমিটির সদস্য বিশ্বজিত ব্রহ্ম ও তাঁর বাবা মধুসূদন ব্রহ্মকে বাড়িতে ঢুকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

খড়্গপুর ২ ব্লকের বিডিওর কাছে গণ্ডগোলের খবর যায়। পরে বিডিওর নির্দেশে এলাকায় পুলিশ পৌঁছয়। অবশ্য ততক্ষণে গোলমাল থেমে গিয়েছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে পুলিশকে জানানো হয়, অভিযোগ মিথ্যে। বিজেপি এলাকায় অনুমতি ছাড়াই মিটিং করছিল। শুক্রবার সকালে বিজেপির পক্ষ থেকে পুলিশে অভিযোগ জানানো হয়। বিশ্বনাথ ঢল বলেন, “তৃণমূল কর্মী কমলেন্দু দে, প্রকাশ স্বরূপ ব্রহ্ম, দিলীপ নায়েক-সহ পাঁচ জন বিশ্বজিতবাবুর বাড়িতে ঢুকে মারধর করেছে। তাঁরা আমাদের কর্মীদের ওপর পথেও চড়াও হয়েছে। আমরা হামলাকারীদের শাস্তি চাইছি।” এলাকার বিজেপির নির্বাচনী পর্যবেক্ষক গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “পঞ্চায়েত নির্বাচনে আমরা প্রার্থী দেওয়ায় তৃণমূল সন্ত্রাস চালিয়েছিল। ওঁরা ভেবেছিল বিজেপি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। কিন্তু এত মানুষ বিজেপির মিছিলে যোগ দিয়েছে দেখে ওঁরা ফের সন্ত্রাস চালাচ্ছে।” যদিও অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে তৃণমূল ব্লক সভাপতি অজিত মাইতি বলেন, “বিজেপি কয়েকদিন পরে মাটি খুঁজে পাবে না। তাই নির্বাচনের সময় ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে বাজার গরম করতে চাইছে।” খড়্গপুরের মহকুমাশাসক সঞ্জয় ভট্টাচার্য বলেন, “আমি বিষয়টি শুনেছি। তবে বড় ধরনের কোনও ঘটনা ঘটেনি। পুলিশ খবর পেয়ে গিয়েছিল। অভিযোগের তদন্ত চলছে।”

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement