সুস্থ পরিবেশ চেয়ে তৃণমূলকে চিঠি বিজেপির

এ যেন উলটপুরান! মেদিনীপুর শহরে সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতে সহযোগিতার আর্জি জানিয়ে তৃণমূল শহর সভাপতিকে চিঠি দিলেন বিজেপি শহর সভাপতি। তৃণমূলের শহর সভাপতিও বিষয়টি দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০০:৩৪
Share:

এ যেন উলটপুরান!

Advertisement

মেদিনীপুর শহরে সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতে সহযোগিতার আর্জি জানিয়ে তৃণমূল শহর সভাপতিকে চিঠি দিলেন বিজেপি শহর সভাপতি। তৃণমূলের শহর সভাপতিও বিষয়টি দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।

খাগড়াগড় বিস্ফোরণ থেকে সারদা কাণ্ডে সিবিআই তদন্ত- শাসকদলকে এক ইঞিও জমি ছাড়তে নারাজ গেরুয়া শিবির। অন্য দিকে, নিজেদের জমি ধরে রাখতে মরিয়া তৃণমূলও।

Advertisement

কয়েকদিন আগে মেদিনীপুর শহরে জেলা পরিষদের মূল ফটকের বিপরীতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনায় একে অপরের দিকে আঙুল তোলে দুই শিবির। বিজেপির জেলা সভাপতি তুষার মুখোপাধ্যায় বলেন, “জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকেই আমাদের কাছে এমন খবর আসছে। যে কোনও রাজনৈতিক দলই তার মতো করে প্রচার করতে পারে। সেখানে বাধা দেওয়া হবে কেন?” যদিও তৃণমূলের জেলা সভাপতি দীনেন রায় বলেন, “মিথ্যা অভিযোগ। জেলার সর্বত্র শান্তির পরিবেশ আছে।”

বিজেপি সূত্রে খবর, এই পরিস্থিতিতেই বুধবার তৃণমূলের শহর সভাপতি আশিস চক্রবর্তীকে চিঠি দিয়েছেন বিজেপির শহর সভাপতি অরূপ দাস। চিঠিতে লেখা হয়েছে, ‘গত অগস্টের পর থেকে শহরের বিভিন্ন জায়গায় দলের পতাকা-ফ্লেক্স-পোস্টার রাতের অন্ধকারে ছিঁড়ে দেওয়া হচ্ছে। আমরা আলাদা রাজনৈতিক দল করতে পারি। আলাদা রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাসী হতে পারি। কিন্তু এই ধরনের কাজ কেন হবে? যা মেদিনীপুরের সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশকে নষ্ট করবে। তৈরি করবে পরস্পরের প্রতি সন্দেহের বাতাবরণ।’ চিঠির একেবারে শেষ দিকে লেখা হয়েছে, ‘আশা করব এই ধরণের ঘটনা বন্ধ করতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবেন।’

বিজেপির শহর সভাপতি অরূপবাবু বলেন, “রাতের অন্ধকারে আমাদের পতাকা- ফেস্টুন- ফ্লেক্স ছিঁড়ে দেওয়া হচ্ছে। শহরে সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখার আর্জি জানিয়েই চিঠি দিয়েছি।” চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করে আশিসবাবুও বলেন, “বিজেপির শহর সভাপতির চিঠি পেয়েছি। দিন কয়েক আগে জেলা পরিষদ রোডে একটা ঘটনা ঘটে। ওখানে মুখ্যমন্ত্রীর ছবিও ছেঁড়া হয়েছে। যে বা যারাই ওই কাজ করুক, এমন ঘটনা নিন্দনীয়। মেদিনীপুর শহরে তো এই সংস্কৃতি ছিল না।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement