তৃণমূলের কার্যালয় ফের গেরুয়া থেকে সাদা করে দিচ্ছে বিজেপি কর্মীরা। নবদ্বীপে। নিজস্ব চিত্র
নীল-সাদা দলীয় কার্যালয় সোমবার ভোটের ফল প্রকাশ সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই গেরুয়া হয়ে গিয়েছিল। নবদ্বীপের নির্বাচিত বিধায়ক বিজেপির শ্রুতিশেখর গোস্বামীর নির্দেশে ২৪ ঘণ্টার আগেই ফের দেওয়ালের গেরুয়া মুছে সাদা রং করে দেওয়া হল।
রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শহর থেকে গ্রাম সর্বত্র তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় দখল বা ভাঙচুরের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। সেই আবহের মধ্যেই মঙ্গলবার ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটেছে নবদ্বীপ শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডে। গত পুরভোটে ওই ওয়ার্ডে বিমানকৃষ্ণ সাহার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ছিলেন বিজেপির বিক্রম আদিত্য। তিনি বলেন, “বিধায়কের নির্দেশে দেওয়াল আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।”
সোমবার বিকেল থেকেই তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের হামলার ঘটনা নিয়ে অভিযোগ জানাচ্ছেন তৃণমূলের শহর সভাপতি সুজিত সাহা। তিনি এ দিন বলেন, “শ্রুতিশেখর গোস্বামী প্রচারের শুরু থেকেই শান্তির স্বপক্ষে কথা বলেছেন। এর জন্য তাঁকে স্বাগত জানাচ্ছি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে দলীয় কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, রং পালটে দেওয়া বা হুমকি দেওয়া চলছেই। আমরা আশা করব, উনি যা বলেছেন তা সর্বত্র কাজেও পরিণত হবে।”
অন্য দিকে, বিজেপির পাল্টা দাবি— যারা এ সব করছে তারা কেউ বিজেপি নয়। তৃণমূল সমর্থকেরাই এ সব কাণ্ড ঘটাচ্ছে। মঙ্গলবার বিষয়টি নিয়ে শ্রুতিশেখর গোস্বামী কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “এই ধরনের আচরণ বরদাস্ত করা হবে না। এই জাতীয় কাজ থেকে বিরত থাকতে আমরা দলের সমস্ত কর্মীদের সতর্ক করছি। তৃণমূলের রাজনৈতিক সংস্কৃতির সঙ্গে বিজেপির অনেক তফাত। কোনও হিংসা, অত্যাচার মেনে নেওয়া হবে না।’’
নবনির্বাচিত বিধায়কের দাবি, ‘‘নবদ্বীপের আইসি এবং জেলা পুলিশ সুপারকে বলেছি এমন ঘটনা ঘটলে রং না দেখে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে।”
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে