West Bengal SIR

পরিযায়ীদেরপূর্ণ তালিকা চায় কমিশন

তবে কাজটা যে সহজ নয় তা মানছেন কর্তারা। কারণ, শ্রম দফতরের তথ্য অনুযায়ী নদিয়ায় বর্তমানে ১ লক্ষ ৮০ হাজার পরিযায়ী শ্রমিকের নাম নথিভুক্ত আছে।

সুস্মিত হালদার

শেষ আপডেট: ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ ০৯:০৬
Share:

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

নদিয়া জেলার পরিযায়ী শ্রমিকদের নামের তালিকা চেয়ে পাঠাল নির্বাচন কমিশন। যে পরিযায়ী শ্রমিকের নাম ‘নো-ম্যাপিং’ হয়েছে তার তালিকাও দিতে বলা হয়েছে। এর পরেই প্রশাসনের তরফে যুদ্ধকালীন তৎপরতা শুরু হয়েছে।

তবে কাজটা যে সহজ নয় তা মানছেন কর্তারা। কারণ, শ্রম দফতরের তথ্য অনুযায়ী নদিয়ায় বর্তমানে ১ লক্ষ ৮০ হাজার পরিযায়ী শ্রমিকের নাম নথিভুক্ত আছে। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তাঁদের শনাক্ত করে নির্ভুল তালিকা পাঠানো যথেষ্ট সময়সাপেক্ষ। এ ক্ষেত্রে শ্রম দফতরের সহযোগিতা নেওয়া হচ্ছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রেজানানো হয়েছে।

‘নো-ম্যাপিং’ শুনানি পর্বে দেখা যাচ্ছে, যত জনকে ডাকা হচ্ছে তার ১৫-১৬ শতাংশ অনুপস্থিত থাকছেন। এঁদের বেশির ভাগই পরিযায়ী শ্রমিক। অনেকেই শুধু অন্য রাজ্যে নয়, বিদেশেও কাজে গিয়েছেন। ছুটি না পাওয়া ও যাতায়াত বাবদ প্রচুর টাকা খরচ হয়ে যায় বলে অনেকেই কয়েক বছর অন্তর বাড়ি ফেরেন। তাঁদের পক্ষে চাইলেই ছুটি নিয়ে ফে‌রা সম্ভব নয়। তার উপর শুনানির নোটিস পাওয়া পর হাজিরার জন্য খুবই কম সময় হাতে থাকছে।

বিষয়টি জেলা প্রশাসনের তরফে নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছিল। তার পরেই সমস্ত পরিযায়ী শ্রমিকদের নাম ও তাঁদের মধ্যে যাঁরা ‘নো-ম্যাপিং’ হয়ে গিয়েছেন, তাঁদের তালিকা চেয়েছে কমিশন। সেই নির্দেশ পাওয়ার পরইআরও-দের নিজেদের এলাকার তালিকা তৈরি নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এই কাজ যথেষ্ট সময়সাপেক্ষ বলে জানাচ্ছেন ইআরও-রা। তবে বিকল্প হিসাবে শ্রম দফতরের থেকে তাদের তৈরি তালিকাও চেয়ে পাঠানো হয়েছে। তবে সেই তালিকা চূড়ান্ত হিসাবে ধরার আগে খতিয়ে দেখে নিতে চাইছে প্রশাসন। করোনাকালের পর, ২০২২ সালে কর্মসাথী প্রকল্প চালু হয়েছিোল। সেই প্রকল্পের মাধ্যমে কোন রাজ্য বা দেশে কোন শ্রমিক কর্মরত আছেন, তা একটি পোর্টালে তোলা হয়েছিল।

গত বছর ২১ অগস্ট থেকে আবার কর্মসাথী প্রকল্পের আওতায় শ্রমশ্রী প্রকল্প চালু হয়েছে। এই দুই প্রকল্প বাস্তবাসিত করার জন্য প্রথমে করোনার সময় ফিরে আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের তালিকা তৈরি করা হয়েছিল। পরে শ্রম দফতর থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সমীক্ষা করেতালিকা করা হয়।

নদিয়ার যুগ্ম শ্রম কমিশনার (পার্সোনেল) সৌম্যনীল সরকার বলেন, “আমাদের কাছে যে তালিকা আছে তা জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।” জেলাশাসক অনীশ দাশগুপ্ত বলেন, “কমিশনের নির্দেশ মতোই পরিযায়ী শ্রমিকদের তলিকা তৈরি করা হচ্ছে।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন