Beldanga Girl Death

‘অনেক টাকা ঢুকেছে, যান’, ফোন করে দাদু-দিদিমাকে ব্যাঙ্কে পাঠিয়ে ১৭ বছরের নাতনিকে খুনের অভিযোগ মুর্শিদাবাদে!

মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় ১৭ বছরের এক স্কুলছাত্রীর দেহ উদ্ধার হয়েছে তার ঘর থেকে। বাবা-মায়ের অভিযোগ, ছক কষে খুন করা হয়েছে তাঁদের মেয়েকে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৭ জুন ২০২৬ ২০:৫৮
Share:

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

অচেনা নম্বর থেকে ফোন পেয়ে ব্যাঙ্কে খোঁজখবর করতে গিয়েছিলেন দাদু-দিদিমা। সেই সুযোগে বাড়িতে ঢুকে তাঁদের নাতনিকে খুনের অভিযোগ অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে!

Advertisement

বাড়ি ফিরে তরুণী মেয়ের রক্তাক্ত দেহ পেলেন দাদু-দিদিমা। শনিবার এ নিয়ে শোরগোল মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার মোহলা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। বৃদ্ধ দম্পতির অভিযোগ, পরিচিত কেউ ছক কষে তাঁদের বাইরে পাঠিয়ে বাড়িতে ঢুকে নাতনিকে খুন করে গিয়েছেন। যখন ঘটনা ঘটে, তখন বাড়িতে আর কেউ ছিলেন না। পরিবার সূত্রে খবর, ওই নাবালিকা মামার বাড়িতে থাকত। দাদু, দিদা, মা এবং ভাইয়ের সঙ্গে থাকত সে। দীর্ঘদিন আগে পারিবারিক অশান্তির কারণে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে নাবালিকা এবং পুত্রকে নিয়ে তাঁর বাবার বাড়িতে পাকাপাকিভাবে চলে আসেন কাবেরীর মা।

মৃতার বয়স ১৭ বছর। স্থানীয় একটি স্কুলে একাদশ শ্রেণির ছাত্রী ছিল সে। পরিবার সূত্রে খবর, শনিবার দুপুরে একটি ফোন পান তরুণীর দাদু। অচেনা নম্বর ছিল। ফোনের ও প্রান্ত থেকে বলা হয়, কোনও একটি গেমে তিনি জিতেছেন। তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিপুল অঙ্কের টাকা পাঠানো হয়েছে। ওই ফোন পেয়ে ঘাবড়ে যান প্রৌঢ়। তিনি স্ত্রীকে নিয়ে যে ব্যাঙ্কে তাঁর অ্যাকাউন্ট রয়েছে, সেখানে খোঁজখবর করতে যান। নাতনি একাই ছিল বাড়িতে। নাবালিকার মা এবং ভাই— কেউই বাড়িতে ছিলেন না।

Advertisement

দম্পতির অভিযোগ, বিকেলে ঘরে ফিরে তাঁরা দেখেন রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে তাঁদের নাতনি। তড়িঘড়ি লোকজন ডাকেন তাঁরা। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মেয়েটিকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার তোড়জোড় হয়। কিন্তু হাসপাতালে যাওয়ার পর চিকিৎসকেরা মেয়েটিকে পরীক্ষা করেই জানিয়ে দেন, আগেই মৃত্যু হয়েছে ছাত্রীর।

ওই মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে মোহলা এলাকায়। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় বেলডাঙা থানার পুলিশ। তারা দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানও করা হচ্ছে। কোনও শত্রুতার কারণে স্কুলছাত্রীকে খুন করা হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান করছে পুলিশ। তবে বেলডাঙা মহকুমার পুলিশ আধিকারিক আনন্দজিৎ হোড়ের সংক্ষিপ্ত মন্তব্য, ‘‘বাড়ি থেকে এক নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়েছে। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement