Humayun Kabir

মাদক পাচারে যোগ! হুমায়ুনের জামাতাকে তলব পুলিশের, বিধায়কের হুঁশিয়ারি, গ্রেফতার করলে ফল ভুগতে হবে

রায়হান বা তাঁর পরিবারের মাদক পাচারের সঙ্গে কোনও যোগ নেই বলে দাবি করে হুমায়ুন সাফ জানিয়েছেন, তাঁর জামাতা এখনই আগাম জামিনের আবেদন করবেন না। এমনকি, ২৮ তারিখ থানায় হাজিরা দেওয়ারও কোনও পরিকল্পনা নেই তাঁর।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:৫৩
Share:

হুমায়ুন কবীর। — ফাইল চিত্র।

হেরোইন পাচার মামলায় মুর্শিদাবাদের ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের জামাতা রায়হান আলিকে নোটিস পাঠাল লালগোলা থানার পুলিশ। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টার মধ্যে তাঁকে তদন্তকারী অফিসারের কাছে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, রায়হান বাড়িতে না থাকায় তাঁর পরিবারের সদস্যদের হাতেই ওই নোটিস তুলে দেওয়া হয়েছে। হুমায়ুনের দাবি, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে রায়হানকে। গ্রেফতার করা হলে ফল ভুগতে হবে।

Advertisement

জনতা উন্নয়ন পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুনের জামাতার বিরুদ্ধে মাদক সংক্রান্ত (এনডিপিএস) ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। অভিযোগ, বড়সড় একটি মাদক পাচারচক্রের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত রয়েছেন হুমায়ুনের দলের চেয়ারম্যান রায়হান। ইতিপূর্বেই এই মামলার তদন্তে নেমে গত ৮ এবং ৯ ফেব্রুয়ারি রায়হান, তাঁর বাবা শরিফুল ইসলাম এবং হুমায়ুনের কন্যা নাজমা সুলতানার বিপুল সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, মাদক কারবারের টাকায় কেনা প্রায় ১১টি স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি চিহ্নিত করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য ১৫ কোটি টাকারও বেশি।

জামাতার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অবশ্য নস্যাৎ করেছেন হুমায়ুন। তাঁর দাবি, এটি একটি গভীর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। বিধায়কের কথায়, ‘‘দিন চারেক আগে রায়হানকে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল। এমনকি, লালগোলা বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী করার টোপও দেওয়া হয়।’’ হুমায়ূনের অভিযোগ, সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার কারণেই মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো হয়েছে তাঁর জামাতাকে।

Advertisement

উল্লেখ্য, রায়হান বা তাঁর পরিবারের মাদক পাচারের সঙ্গে কোনও যোগ নেই বলে দাবি করে হুমায়ুন সাফ জানিয়েছেন, তাঁর জামাতা এখনই আগাম জামিনের আবেদন করবেন না। এমনকি, ২৮ তারিখ থানায় হাজিরা দেওয়ারও কোনও পরিকল্পনা নেই তাঁর। উল্টে হুঁশিয়ারির সুরে বিধায়ক বলেন, “আমার জামাতাকে গ্রেফতার করা হলে তার ফল ভুগতে হবে।”

জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, নির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতেই তদন্ত এগোচ্ছে। এখন ২৮ তারিখ রায়হান হাজিরা দেন কি না, সে দিকেই নজর জেলা প্রশাসনের।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement