সর্বভারতীয় বিজেপি সভাপতি নীতিন নবীন। ফাইল চিত্র।
এ বারের ভোটে ইভিএমে পদ্ম ফুটবে। আর সেই ফলই বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। রবিবার শান্তিপুরে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে রোড শো করতে এসে এমনটাই দাবি করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন।
রবিবার দুপুরে শান্তিপুর বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী স্বপন দাসের সমর্থনে আয়োজিত এই রোড শো ঘিরে শহরে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো উৎসাহ। বেজপাড়া মাঠে হেলিকপ্টারে অবতরণের পরে চৌগাছা পাড়ার দিক থেকে শুরু হয় শোভাযাত্রা। রোড শোয়ে উপস্থিত ছিলেন প্রার্থী স্বপন দাস, রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকার এবং বিজেপির নদিয়া দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলা সভানেত্রী অপর্ণা নন্দী। শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে এই মিছিল। পথে ভিড় উপচে পড়ে।
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নীতিন নবীন জানান, প্রতিটি বুথেই ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষে ভোটদানে মানুষ প্রস্তুত। রাস্তায় নেমে মানুষের উচ্ছ্বাসই তার প্রমাণ। তাঁর কথায়, দীর্ঘদিনের নিরাশার পরিবেশ কাটিয়ে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে নতুন আশার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। ভয়ের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে মানুষ এখন উন্নয়নের পথে হাঁটতে চাইছে। তাঁর দাবি, প্রথম দফার ভোটের ফলকেও ছাপিয়ে যাবে পরবর্তী পর্যায়। ইভিএমে পদ্মফুল ফোটার মধ্যে দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ নতুন দিশা পাবে।
শান্তিপুরে এসে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকেও কটাক্ষ করেন তিনি। নীতিন নবীনের বক্তব্য, খুব শিগগিরই রাহুল গান্ধীকে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সঙ্গে বৈঠকে বসতে দেখা যাবে। তাঁর দাবি, ‘ইন্ডিয়া জোট’ কার্যত ভেঙে পড়েছে এবং এখন আর কোনও কার্যকর জোট নেই। তিনি আরও অভিযোগ করেন, রাজ্যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে, যার বিরুদ্ধে বিজেপি লড়াই করছে। তাঁর প্রশ্ন, এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে রাহুল গান্ধীকে কি কখনও আন্দোলন করতে দেখা গিয়েছে? তিনি বলেন, “ভোটের সময়েই যাঁরা সামনে আসেন, সেই পার্ট-টাইম রাজনীতিবিদদের বাংলার মানুষ গ্রহণ করবে না।”
এ দিকে, যে পথে বিজেপির রোড শো গিয়েছে, সেই পথের কয়েকটি জায়গায় বিজেপি-বিরোধী ফ্লেক্স চোখে পড়ে। সেখানে বিজেপিকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে উল্লেখ করা ছিল।এই প্রসঙ্গে সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, “এগুলো কুচক্রীদের কাজ। মানুষ উপযুক্ত জবাব দেবে।”
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে