—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
আজ, শনিবার এসআইআর-এর প্রাথমিক চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ পাওয়ার কথা। মুর্শিদাবাদ জেলায় এখনও ঝুলে রইল ১১ লক্ষ ভোটারের ভাগ্য। বিভিন্ন বিধানসভা ক্ষেত্র থেকে ‘ইআরও’ এবং ‘এইআরও’দের পাঠানো ভেরিফিকেসন গ্রহণ না করে যাঁদের নাম রিভিউ করার জন্য মাইক্রো পর্যবেক্ষক ও রোল পর্যবেক্ষকেরা ফের ‘ইআরও’ এবং ‘এইআরও’দের কাছে ফেরত পাঠিয়েছিলেন মূলত তাঁদেরই এখন নথি পরীক্ষার কাজ করছেন জেলার বিচার বিভাগের ২৮ জন বিচারক। এ ছাড়াও ১৪ ফেব্রুয়ারি রাতে পোর্টাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কমবেশি প্রায় ১৩ হাজার ভোটারের নাম এখনও আপলোড করা বাকি রয়েছে। সম্ভবত সেই ভোটারদের যাচাই করবেন বিচারকেরাই। মূলত ‘ইউ এম’ (আন ম্যাচড) ও এলডি (লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি)-র বিষয়েই আটকে রয়েছেন এই ১১ লক্ষ ভোটার।
অতিরিক্ত জেলা শাসক দীননারয়ণ ঘোষ বলেন, ‘‘বিচারকদের কাছে বকেয়া সমস্ত নথি পাঠানো হয়েছে। সর্বত্রই কাজ শুরু হয়েছে। ১১ জন জেলা পর্যায়ের বিচারক রয়েছেন। বাকিরা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।’’
ইতিমধ্যেই বিচারকদের কাছে বিচারাধীন ভোটারদের সমস্ত নথির হার্ড কপি হস্তান্তর করা হয়েছে। এক ‘এইআরও’ বলেন, ‘‘আমাদের আশা এই সব হার্ড কপি পরীক্ষা করার পরে বেশির ভাগ ভোটারের নামই তালিকায় উঠবে পরবর্তীতে। তাই আশঙ্কার কিছু নেই। কিন্তু আপলোডের তালিকার সঙ্গে তার মিল না থাকলেই বাদ পড়তে পারে ভোটারের নাম।”
তৃণমূলের সাংসদ খলিলুর রহমান বলেন, “বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে উন্নয়ন নিয়ে একটি বৈঠক হয়েছে আমাদের। সেখানেই বৈঠক শেষে এসআইআর নিয়ে জেলা নির্বাচন আধিকারিক জেলা শাসকের কাছে জানতে চেয়েছিলাম। কারণ চারিদিকে নানা ভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। এতে মানুষের মনে আশঙ্কা বাড়ছে। জেলা শাসকও আমাদের জানিয়েছেন, ১১ লক্ষ ভোটারের বিষয়টি বিচারকদের কাছে বিবেচনার জন্য পাঠানো হয়েছে।”
তিনি বলেন, “ইতিমধ্যেই অনেকের রিভিউ শেষ হয়েছে। শনিবার যে প্রাথমিক পর্যায়ে চূড়ান্ত তালিকা বেরোবে তাতে যাঁদের এখনও রিভিউ সম্পূর্ণ হয়নি ভোটার তালিকায় তাদের ছবির উপরে ইংরেজিতে “অ্যাডজুকেশন” স্ট্যাম্প মারা থাকবে।পরবর্তীতে তাঁদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলে ফের অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশিত হবে। তাই শনিবার প্রকাশিত ভোটার তালিকা দেখে কেউ কোথাও উত্তেজনা ছড়াবেন না। বিচার বিভাগের বিচারকেরা সকলেই অত্যন্ত বিচক্ষণ ও নিরপেক্ষ।’’
জেলায় ১ মার্চ ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসার কথা। এখন কিছু কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে মুর্শিদাবাদের কয়েকটি স্পর্শকাতর এলাকায়।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে