কাংলাকে নিয়ে অস্বস্তিতে তৃণমূল

ঘটনার পাঁচ দিন পরেও চাপড়ার চার বছরের অপহৃত শিশু শামিম শেখকে উদ্ধার করতে পারল না পুলিশ। বিরোধীদের অভিযোগ, ওই ঘটনায় চার জনকে গ্রেফতার করেই পুলিশ দায় সেরেছে। অথচ অন্যতম মূল অভিযুক্ত চাপড়ার তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি আইনাল শেখ ওরফে কাংলাকে গ্রেফতার করা তো দূরের কথা, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যও পুলিশ ডাকতে ‘সাহস’ পাচ্ছে না।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০২:০০
Share:

সিপিএমের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সামশুল ইসলাম মোল্লার অভিযোগ, ‘‘এত কিছুর পরেও বৃহস্পতিবার রাতে কাংলার বাড়িতে গিয়েছিলেন স্থানীয় বিধায়ক রুকবানুর রহমান। আমাদের কাছে খবর আছে, বিধায়ক কাংলাকে অভয় দিয়ে এসেছেন। এ বার বুঝুন, পুলিশ কেন কাংলাকে কিছু বলছে না। এমন একটি মর্মান্তিক বিষয় নিয়ে তৃণমূল রাজনীতি করছে।’’ এমন অভিযোগ অস্বীকার করে রুকবানুর রহমান বলেন, ‘‘আমি কাংলার বাড়িতে যাইনি। বিরোধীরা অপপ্রচার করছে।’’

Advertisement

অপহৃত ওই শিশু, শামিম শেখের এক আত্মীয়ের কথায়, ‘‘আমরাও তৃণমূল করি। কিন্তু পুলিশ এটা ঠিক করছে না। কাংলাকে চাপ দিলেই শামিমের খোঁজ পাওয়া যেত! শামিমের কোনও ক্ষতি হয়ে গেলে পুলিশই কিন্তু দায়ী থাকবে।’’

কাংলাকে নিয়ে ব্লক তৃণমূল যে অস্বস্তিতে তা কবুল করছেন স্থানীয় এক ব্লক নেতাও। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক ওই নেতা জানান, চৌমুহা কাণ্ডে তাপস পাল, ঘুঘড়াগাছির লঙ্কা-কাণ্ডের পরে চাপড়ার এই ঘটনায় ফের দলের মুখ পুড়ল। সামনে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে এই ঘটনার মাশুল কিন্তু দলকেই দিতে হবে।

Advertisement

রুকবানুর এ দিনও বলেছেন, ‘‘এই ঘটনার সঙ্গে যে-ই জড়িত থাকুক, পুলিশ তার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবে।’’

পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার, ঘটনার দিন রাতেই তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালেও আলা শেখ নামে চাপড়ার বাঙালঝির এক বাসিন্দাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জেলার পুলিশ সুপার ভরতলাল মিনা বলেন, ‘‘তদন্তে যার নাম উঠে আসবে তাকেই গ্রেফতার করা হবে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement