সরকারি সহায়ক মূল্যে ধানকেনা ও আলুর ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ-সহ নয় দফা দাবিতে বিডিওর কাছে স্মারকলিপি দিল কান্দি ব্লক কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার দুপুরে কান্দির বিডিও সুরজিৎ রায়ের কাছে ওই স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।
অভিযোগ, বিঘা প্রতি আমন ধান চাষে খরচ হয় সাত থেকে সাড়ে সাত হাজার টাকা। ধান ফলে আট কুইন্ট্যাল মতো। খোলা বাজারে ওই ধানের দাম কুইন্টাল প্রতি ৯০০ থেকে ১০৫০ টাকা। কিন্তু কেন্দ্র সরকার কুইন্টাল প্রতি ধানের দাম নির্ধারণ করেছে ১৪১০ টাকা। কংগ্রেসের দাবি, পঞ্চায়েত থেকে সরকার একটি অথবা দু’টি ক্যাম্প করে ধান কিনছে। কিন্তু দূরত্বের জন্য সব চাষি ক্যাম্পে গিয়ে ধান বিক্রি করতে পারছেন না। তাই প্রতিটি গ্রাম সংসদে ক্যাম্প করে চাষিদের কাছ থেকে ওই দামে ধান কেনা হোক।
কান্দি মহকুমা যেমন শষ্যগোলা হিসাবে পরিচিত। তবে ওই মহকুমার বহু এলাকায় চাষিরা আমন ধানের চাষ করতে পারেন না বন্যার কারণে। ফলে অনেক চাষি আমন ধানের পরিবর্তে আলু ও বোরো ধানের চাষ করেন। বিদ্যুৎচালিত পাম্পের মাধ্যেম ভূ-গর্ভ থেকে জল তুলে সেচের কাজে লাগান করেন চাষিরা। কিন্তু লাফিয়ে লাফিয়ে বিদ্যুতের মাশুল বৃদ্ধি পাওয়ায় চাষিরা বোরো চাষ করতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছেন বলে বলে দাবি কংগ্রেসের। বন্যা কবলিত এলাকায় চাষিরা যাতে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ পান তার দাবিও করছে কংগ্রেস।
এ দিন জেলা জুড়ে ২৭টি ব্লকে ওই একই দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। কান্দি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কংগ্রেসের সুকান্ত ত্রিবেদি বলেন, “চাষিরা বঞ্চিত হোক সেটা আমরা চাই না। তাই ধান যাতে সরকারি সহায়ক মূল্যে কেনা হয় তার দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।’’ বিডিও তাঁদের দাবি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর আশ্বাস দেন। দাবি পূরণ না হলে রাস্তায় নেমে আন্দোলন হবে বলে তিনি জানান।