শিশু শ্রমিক উদ্ধার শান্তিপুরে

আচমকা হানা নিয়ে শান্তিপুরের দু’টি মিষ্টির দোকান থেকে দুই শিশুশ্রমিককে উদ্ধার করল শ্রম দফতর। উদ্ধার হওয়া শিশুদের চাইল্ড লাইনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। রবিবার দুপুরে শান্তিপুরের পুলিশ ও চাইল্ড লাইনকে সঙ্গে নিয়ে সহকারী শ্রম কমিশনার বিতান দে-র নেতৃত্বে একটি দল আচমকা একটি মোটরবাইকের শো-রুম ও দুটি মিষ্টির দোকানে হানা দেয়।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০১:৫১
Share:

আচমকা হানা নিয়ে শান্তিপুরের দু’টি মিষ্টির দোকান থেকে দুই শিশুশ্রমিককে উদ্ধার করল শ্রম দফতর। উদ্ধার হওয়া শিশুদের চাইল্ড লাইনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

রবিবার দুপুরে শান্তিপুরের পুলিশ ও চাইল্ড লাইনকে সঙ্গে নিয়ে সহকারী শ্রম কমিশনার বিতান দে-র নেতৃত্বে একটি দল আচমকা একটি মোটরবাইকের শো-রুম ও দুটি মিষ্টির দোকানে হানা দেয়। তিনটি জায়গা থেকেই তিনজনকে উদ্ধার করে। কিন্তু পরে দেখা যায় যে শো-রুম থেকে উদ্ধার করা ছেলেটির বয়স ১৫ বছরের বেশি। ফলে তাকে ছেড়ে দেন শ্রম দফতরের কর্তারা।

বিতানবাবু বলেন, ‘‘শিশুদের উদ্ধারের করা হয়েছে। দুই মিষ্টির দোকানের মালিকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’ শ্রম দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মালিকদের বিরুদ্ধে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করার পাশাপাশি পুলিশের কাছে ‘চাইন্ড লেবার অ্যাক্টের’ মাধ্যমে অভিযোগও দায়ের করা হবে। সে ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে বলে জানা‌ন বিতানবাবু। তিনি জানান, উদ্ধার হওয়া এক শিশুর বয়স ১২ বছর আর অন্য জনের বয়স ৮। এর আগেও অবশ্য রানাঘাট মহকুমার বাদকুল্লা, রানাঘাট, ফুলিয়ার পাশাপাশি এই শা‌ন্তিপুর থেকে সাত জন শিশুকে উদ্ধার করে শ্রম দফতর। কৃষ্ণনগর সদর মহকুমা থেকে উদ্ধার হয়েছে ৯ জন। কল্যাণী মহকুমায় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে ধাবায় হানা দিয়ে একজন শিশু শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি ক্ষেত্রেই মালিকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

ন্যাশানাল চাইল্ড লেবার প্রজেক্টে ২০১৪ সালে সমীক্ষায় দেখানো হয়েছে এই শান্তিপুর পুরসভা সহ নবদ্বীপ, রানাঘাট, বীরনগর পুরসভা-সহ রানাঘাট ২ কোথাও শিশু শ্রমিক নেই। এর বাইরেও কোনও কোনও ব্লকে শিশু শ্রমিকের সংখ্যা দেখানো হয়েছিল এক বা দু’জন করে। তারপরও কী ভাবে একের পর এক শিশু শ্রমিক উদ্ধার হচ্ছে?

জেলার ন্যাশনাল চাইল্ড লেবার প্রজেক্টের প্রকল্প অধিকর্তা তানিয়া দত্ত বলেন, ‘‘যে সময় সমীক্ষা হয়েছিল সেই সময় হয়তো ওই সব এলাকায় কোনও শিশু শ্রমিক ছিল না। নতুন করে জেলা জুড়ে সমীক্ষা করা হবে। সেই মতো উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।’’

পাশাপাশি শিশু শ্রমিক উদ্ধারের কাজও চলবে বলে তিনি জানান।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement