তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগে পথে বাম-কংগ্রেস

বিধানসভা নির্বাচনে জোট করে মালদহে সাফল্য পেয়েছে বাম কংগ্রেস নেতৃত্ব। এবার প্রতিবাদ মিছিলেও একসঙ্গে পা মেলালেন দক্ষিণ মালদহের কংগ্রেস সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরী ও সিপিএমের জেলা সম্পাদক অম্বর মিত্ররা।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ জুন ২০১৬ ০২:০৬
Share:

বিধানসভা নির্বাচনে জোট করে মালদহে সাফল্য পেয়েছে বাম কংগ্রেস নেতৃত্ব। এবার প্রতিবাদ মিছিলেও একসঙ্গে পা মেলালেন দক্ষিণ মালদহের কংগ্রেস সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরী ও সিপিএমের জেলা সম্পাদক অম্বর মিত্ররা।

Advertisement

রাজ্য জুড়ে তৃণমূলের সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে শনিবার বিকেলে ইংরেজবাজার শহরে ধিক্কার মিছিল করল বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস। বৃন্দাবনীয় ময়দান থেকে পুরো শহর পরিক্রমা করে রথবাড়িতে গিয়ে মিছিল শেষ হয়। মিছিলের পরে রথবাড়িতে পথসভাও করা হয়। পথসভায় বাম কংগ্রেস নেতারা আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনেও জোটবদ্ধ ভাবে লড়াই করে তৃণমূলকে শূন্য করার হুঁশিয়ারি দিলেন।

দক্ষিণ মালদহের সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরী বলেন, ‘‘জোটবদ্ধ ভাবে লড়াই করে আমরা তৃণমূলকে শূন্য করতে পেরেছি জেলা থেকে। আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনেও এমন ভাবে লড়াই করে তৃণমূলকে শূন্য করে দেব।’’ একই সুরে সুর মিলিয়ে জেলা থেকে সমস্ত স্তরের নির্বাচনে তৃণমূলকে হারানোর ডাক দিয়েছেন সিপিএমের জেলা সম্পাদক অম্বর মিত্র। তিনি বলেন, ‘‘শুধু বিধানসভা নয়, আগামী নির্বাচন গুলিতেও আমরা জোটবদ্ধ ভাবে লড়াই করে তৃণমূলকে হারাতে চাই। তৃণমূলের বিরুদ্ধে আমাদের জোটের আন্দোলন জেলা জুড়ে লাগাতার চলবে।’’

Advertisement

যদিও বাম কংগ্রেস নেতৃত্বের এই হুঁশিয়ারিকে আমলই দিতে চাননি তৃণমূলের জেলা সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন। তিনি বলেন, ‘‘মালদহের মানুষ বারবার একই ভুল আর করবেন না। জেলার উন্নয়নের স্বার্থে মানুষ তৃণমূলের পাশে থাকবে। আর আগামী নির্বাচনে জোটের বিরুদ্ধে জবাব দেবেন সাধারণ মানুষ।’’

রাজ্যে বাম কংগ্রেস জোট সফল না হলেও, মালদহ ১২টি আসনেই তৃণমূলকে রুখে দিয়েছে জোট। এই জেলায় এবারের নির্বাচনে তৃণমূল খাতা খুলতেই পারেনি। ১২টি আসনের মধ্যে ১১টিতেই জয়ী হয়েছে জোটের প্রার্থীরা। মাত্র একটি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। নির্বাচনের আগে থেকেই এই জেলায় জোটবদ্ধ ভাবে প্রচার চালিয়েছিল বাম কংগ্রেস দুই শিবির। ভোটের ফলাফলের পরেও দেকা গেল সেই ছবি।

গোটা রাজ্যতো বটেই মালদহ জেলাতেও জোটের নেতা কর্মীদের উপরে হামলা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন দুই দলের নেতারা।

সম্প্রতি ইংরেজবাজারের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে সিপিএমের দুই কর্মীকে মারধর করা হয়। এই ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল তৃণমূলের নেতা কর্মীদের। থানায় অভিযোগ জানানো হলেও পুলিশ কোনও পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ। সিপিএমের অম্বরবাবু বলেন, ‘‘ জেলায় তৃণমূলের নেতা নেত্রীরা মানুষের রায় মেনে নিতে পারেনি। তার জন্য সন্ত্রাস চালাচ্ছে। এর বিরুদ্ধেই আমাদের এই আন্দোলন।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement